Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

বিধানসভায় সই জাল মামলায় সিআইডি রিপোর্টে ‘অসন্তুষ্ট’ হাই কোর্ট, বড় স্বস্তি অভিষেকের

৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রক্ষাকবচের মেয়াদ।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৬:৪৭

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৬:৪৭

options
link
বিধানসভায় সই জাল মামলায় সিআইডি রিপোর্টে ‘অসন্তুষ্ট’ হাই কোর্ট, বড় স্বস্তি অভিষেকের zoom
বিধানসভায় সই জাল মামলায় হাই কোর্ট থেকে বড় স্বস্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফাইল ছবি
Advertisement

বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল মামলায় বড় স্বস্তি কালীঘাটপন্থীদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। এই মামলায় সিআইডি রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এই সময়ের মধ্যে মামলা সংক্রান্ত তদন্ত চালিয়ে যাবে পুলিশ। সিআইডি-কেও একপ্রস্ত ভর্ৎসনার করেছে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ। বিচারপতির মন্তব্য, “কেউ হাত বেঁধে দেয়নি। আরও তদন্ত করুন, সমস্যা নেই।”

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল বিতর্ক সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও বেশ কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর রয়েছে বিধানসভার রেজিস্ট্রি খাতায়। বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের রেজোলিউশনের পাশ করানোর জন্য ডাকা ওই বৈঠকে সই জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) উপস্থিত ছিলেন। তাঁর ইন্ধনে অনুপস্থিত বিধায়কদের সই নকল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ঘিরে সেসময় বেশ শোরগোল হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি।

Advertisement

সই জাল করার অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘দোষী’ করে যে রিপোর্ট রিপোর্ট দিয়েছে সিআইডি, তাতে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট নয় আদালত। সিআইডির তরফে আইনজীবী অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার সওয়াল করেন, ৭০ জন বিধায়ক সই করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজন জানিয়েছেন যে সই জাল করা হয়েছে। ৬ মে রেজোলিউশন বুকে কোনও সই করা হয়নি। ১৯ মে সই করা হয়। ৫ জনের সই পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। তাতে জানা যায়, সই জাল হয়েছে।

সই জাল করার অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘দোষী’ করে যে রিপোর্ট রিপোর্ট দিয়েছে সিআইডি, তাতে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট নয় আদালত। সিআইডির তরফে আইনজীবী অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার সওয়াল করেন, ৭০ জন বিধায়ক সই করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজন জানিয়েছেন যে সই জাল করা হয়েছে। ৬ মে রেজোলিউশন বুকে কোনও সই করা হয়নি। ১৯ মে সই করা হয়। ৫ জনের সই পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। তাতে জানা যায়, সই জাল হয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানতে চান, তদন্ত শেষ করতে কত সময় লাগবে? হতে পারে উনি নথি জাল করেছেন, কিন্তু তাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী?

অন্যদিকে, অভিষেকের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক উনি, বিধায়ক নন।” বৈঠকে অভিষেক ছিলেন না বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, ‘‘তাহলে কেন দোষী বলা হচ্ছে? জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে শুধুমাত্র রেজোলিউশনটি স্পিকারকে ফরওয়ার্ড করা হয়েছে। সেদিন নথি পরীক্ষা করেছিলেন ববি হাকিম।” সওয়াল-জবাব শুনে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বৈঠকে অংশ নেওয়া মানেই জাল নথি করিয়েছেন, বলা যায় না। সিআইডির উদ্দেশে বিচারপতি চন্দ বলেন, “কেউ হাত বেঁধে দেয়নি। তদন্ত করুন, সমস্যা নেই।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.