Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Hilsa

পদ্মায় আকাল! চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশে যাচ্ছে মোদির রাজ্যের টন টন ইলিশ

হাওড়া পাইকারি ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, বাংলাদেশে এবার প্রথম ইলিশ আমরা রপ্তানি করেছি।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ২১:৪৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ২১:৪৫

options
link
পদ্মায় আকাল! চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশে যাচ্ছে মোদির রাজ্যের টন টন ইলিশ zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

বাঙালি চিরকালই মাছে-ভাতে। আর পাতে যদি পড়ে ইলিশ মাছ, তাহলে তো কোনও কথাই নেই। স্বাভাবিকভাবেই ভোজনরসিক বাঙালি দুর্গাপুজোর সময় পাত পেড়ে খেতে পছন্দ করে। তাই বাংলা-সহ গোটা ভারতেই ইলিশের চাহিদা বাড়ে ওই সময়। আর পদ্মার ইলিশ হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গত কয়েকবছর ধরে সেভাবে ভারতে আসছে না বাংলাদেশের ইলিশ। উৎসবের আবহে এবার অবশ্য উলট পুরাণ! ভারতের ইলিশ খাবে বাংলাদেশের মানুষ। তাও আবার কি না মোদির রাজ্যে! অবাক হচ্ছেন তো! হ্যাঁ, এটাই সত্যি! জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন নাকি একধাক্কায় অনেকটাই তলানিতে এসে ঠেকেছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতই ভরসা ঢাকার কাছে। তথ্য বলছে, গত দুমাসে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশে। তাও আবার গুজরাত থেকে। এহেন পরিস্থিতিতে পদ্মার ইলিশ পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে? উঠছে প্রশ্ন।

ইলিশ উৎপাদনে এক নম্বরে বাংলাদেশ। একটা বড় অংশের মাছ পদ্মা থেকেই ধরা হয়। তার স্বাদের তুলনা হয় না। মাছ ব্যবসায়ীদের কথায়, ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইলিশ বাংলাদেশি জেলেরাই ধরেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে। একধাক্কায় ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই কমে গিয়েছে। পদ্মায় ইলিশের খরা! বিপুল ঘাটতি মেটাতে তাই ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিনে গুজরাতের ভারুচ বন্দর থেকে বটেই, হাওড়া পাইকারি মাছ বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ। ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাওড়া পাইকারি ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, “বাংলাদেশে এবার প্রথম ইলিশ আমরা রপ্তানি করেছি। মূলত এপার থেকে রুই, পারসে, ট্যাংরা ওপারে পাঠাই। কিন্তু বাংলাদেশে এবার ইলিশের ঘাটতি রয়েছে। সেজন্য হাওড়া বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে।” কিন্তু গুজরাটের ইলিশ কেন? এই প্রসঙ্গে সৈয়দ আনোয়ার জানান, এবার গুজরাটে ব্যাপক ইলিশের উৎপাদন হয়েছে। এই মাছের দাম খুব একটা বেশি হয় না। কারণ এতে ডিম থাকে। আর সেই কারণেই গুজরাটের ইলিশ মাছ পাঠানো হয়েছে। তাঁর কথায়, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে ইলিশের ডিম আলাদাভাবে বিক্রি হয়েছে। এমনকী নোনা মাছ খাওয়ারও চল রয়েছে এই সমস্ত এলাকায়। আর সেই কারণেই আগামিদিনে আরও গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ। তাঁর কথায়, ১০০ থেকে ১৫০ টন আরও ইলিশ পাঠানো হবে। সেই কথাবার্তা চলছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.