Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Transport department

বাসে হারিয়েছে যাত্রীর খিচুড়ির টিফিন বক্স, ধনেপাতার আঁটি! খুঁজে দিতে হিমশিম পরিবহণ কর্তারা

তবে যথাসাধ্য হারানো সামগ্রী ফেরানো হচ্ছে যাত্রীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৩, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৩, ১৯:৩৪

options
link
বাসে হারিয়েছে যাত্রীর খিচুড়ির টিফিন বক্স, ধনেপাতার আঁটি! খুঁজে দিতে হিমশিম পরিবহণ কর্তারা zoom

নব্যেন্দু হাজরা: ধনেপাতার আঁটি, ফুলকপি, বেগুন, কুমড়ো, উচ্ছে। ব‌্যাগে একটা চিনির প‌্যাকেটও ছিল। একটি নাইলনের ব‌্যাগ ফেলে রেখে এসেছি। ক্রমাগত এহেন অভিযোগ জমা পড়ছে পরিবহণ দপ্তরের হোয়াটসঅ্যাপে। নাজেহাল কর্তারা।

ব্যাপারটা কী? গত ২ জানুয়ারি সি-২৩ বাসের এক যাত্রী রবীন্দ্রতীর্থ থেকে এয়ারপোট্র এক নম্বর গেটে এসেছিলেন। কিন্তু বাজারের ব‌্যাগ বাসে ফেলে নেমে গিয়েছিলেন। পরে টিকিটের ছবি তুলে পরিবহণ নিগমের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ জানান তিনি। দিন কয়েক আগেই ই-ওয়ান বাসে হাওড়া থেকে রাসবিহারী যাওয়ার পথে খিচুড়ি ভরতি টিফিন বাক্স ফেলে গিয়ে তা এই গ্রুপে জানিয়েছিলেন এক যাত্রী। ফেরতও পান তিনি। অফিসের ব‌্যাগ, ল‌্যাপটপ, জলের বোতল হারিয়ে যাওয়া তো নিত‌্য নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু বাসে ধনেপাতার আঁটি, খিচুরি ভরতি টিফিনবক্স হারিয়েও যে হারে অভিযোগ জানাচ্ছেন যাত্রীরা তা থেকে মাথার চুল খাঁড়া হওয়ার জোগাড় পরিবহণ দপ্তরের কর্তাদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: IS জঙ্গিদের জেরায় হদিশ, কলকাতা পুলিশের অভিযানে মধ্যপ্রদেশে গ্রেপ্তার মডিউলের মাথা]

ছেলের ব্লেজার, স্ত্রীর শাড়ির প‌্যাকেট, ছাতা, বিছানার চাদর, কি নেই সেই তালিকায়! একইসঙ্গে নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস না থামা থেকে শুরু করে কন্ডাক্টরের দুর্ব‌্যবহার এসব অভিযোগ তো আছেই। ফলে অভিযোগের তালিকা নেহাত ছোট নয়। বছরখানেক ধরে পরিবহণ দপ্তরের তরফে অভিযোগ জানানোর জন‌্য একটি নম্বরটি (৯৮৩০১৭৭০০০) চালু হয়েছে। সেখানেই রোজ জমা পড়ে নানা অভিযোগ। খোয়া যাওয়া জিনিস বেশিরভাগ সময়েই ফেরত দেওয়া হয় বলে জানান নিগমের কর্তারা। তাঁদের বক্তব‌্য, কন্ডাক্টর বা বাস পরিষ্কার হওয়ার সময় কর্মচারীদের হাতে কোন জিনিস পড়লে তা ফেরৎ দেওয়া হয়। উপযুক্ত প্রমাণ দিয়েই তা নিতে হয়। এই গ্রুপে টিকিটের ছবি দিয়ে পোস্ট করতে হয় যাত্রীদের। তবে যেসমস্ত জিনিস পড়ে থাকে। তা জমা থাকে নিগমের ভান্ডারে। কয়েক বছর অন্তর তা নিলাম করা হয়। পয়লা ডিসেম্বর ই-ওয়ান বাসে ফেলে যাওয়া ছেলের ব্লেজার যেমন দিন কয়েক আগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এক যাত্রীকে।

পরিবহণ নিগমের এক কর্তা বলেন, “মানুষের তো অভিযোগের শেষ নেই। অধিকাংশই চান, নিজে যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে থাকবেন সেখানে গিয়ে যেন বাস দাঁড়ায়। তা তো সম্ভব নয়। তাহলেই কমপ্লেন করে দেন গ্রুপে। আমরাও দেখি। তবে বহু মানুষ জিনিস ফেলে রেখে যান বাসে। ইদানিং যেন বাড়ছে। কিছু কিছু হারিয়ে যাওয়া জিনিসের তালিকা দেখলে বেশ হাসি পায়। যেমন বাজারের ব‌্যাগ, চিরুনি, এমনকি ফুটবলও ফেলে রাখার মতো কথা লিখেছিলেন যাত্রী। টিকিটের ছবি দিলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। নচেৎ তো খুঁজে বের করা মুশকিল।” মনোবিদ রিঙ্কু পাঠক বলেন, ‘‘আসলে মানুষের জীবনে স্ট্রেস বেড়ে গিয়েছে। ফলে মাথায় সবসময় নানা চিন্তাভাবনা ঘুরতে থাকে। বাজার করতে বেড়িয়েও অফিস, পারিবারিক অশান্তির কথা ভাবেন তিনি। মানুষের ব‌্যাক অফ দ‌্য মাইন্ড অন‌্য চিন্তা ঘুরলেই তাঁর মধ্যে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।’’

[আরও পড়ুন: ‘হিন্দুদের এত ঘৃণা কেন?’ গঙ্গা আরতিতে পুলিশের অনুমতি না মেলায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা BJP’র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.