অর্ণব আইচ: মালদহ থেকে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের জালে ধরা পড়ল আরও দুই জেএমবি জঙ্গি। মঙ্গলবার সকালে সামসি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই দুই অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, জেএমবির উত্তর দিনাজপুর মডিউলের দায়িত্বে ছিল ধৃত ২ জন।
[আরও পড়ুন:স্ত্রীকে বাঁচিয়ে ঢেউয়ের ধাক্কায় মৃত্যু স্বামীর, দিঘার সমুদ্রে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা]
ধৃত জেএমবি জঙ্গি আবুল কাশেমের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার সকালে মালদহের সামসিতে হানা দেয় এসটিএফের আধিকারিকরা। সেখান থেকেই আবদুল বারি ও নিজামউদ্দিন শেখ নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি ম্যাগাজিন। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাদের মোবাইল ফোন। ইতিমধ্যেই তাদের কলকাতা নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জেএমবি সংগঠনের উত্তর দিনাজপুর মডিউলের দায়িত্বে ছিল এই দু’জন। সালাহিন ও ইজাজের নির্দেশ অনুযায়ী উত্তর দিনাজপুরের মডিউলের দায়িত্ব সামলাতো ধৃতরা। সেইসঙ্গে সংগঠনের নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণও দিত। সূত্রের খবর, জেএমবির ভারতের প্রধান মহম্মদ ইজাজকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল আবদুল ও নিজামউদ্দিন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। রাজ্য থেকে পালানোর আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় অভিযুক্তরা।
খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বোমারু মিজান ওরফে কওসর গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই এসটিএফ-এর সক্রিয়তা বেড়েছিল। রাজ্যের আনাচকানাচে জাল বিছিয়ে থাকা জামাত জঙ্গিদের খোঁজে নানা জায়গায় তল্লাশি চালাতে শুরু করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। সাফল্যও মিলেছে। একে একে জেএমবির একাধিক সদস্যকে গ্রেপ্তারও করে এসটিএফ। কয়েকদিন আগেই গয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জেএমবির ভারতের প্রধান মহম্মদ ইজাজকে। এরপর তার থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকালে কলকাতার ইস্ট ক্যানাল রোডে হানা দিয়ে আবুল কাশেম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এদিন মালদহে হানা দেয় তদন্তকারীরা।
[আরও পড়ুন:তৃণমূল বিরোধী হাওয়ায় ভরসা নয়, রাজ্য বিজেপিকে পরামর্শ মোহন ভাগবতের]
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?