১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাদা বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘায় বুধবারই পা রেখেছিলেন চার বাঙালি পর্বতারোহী৷ কিন্তু সৌন্দর্যের মাঝেও পরতে পরতে ঝুঁকি৷ সেই আশঙ্কার দোলাচল কাটিয়ে ক্লান্ত শরীরেই কোনওক্রমে বেস ক্যাম্পে ফিরে এসেছিলেন রুদ্রপ্রসাদ হালদার এবং রমেশ রায়৷ তবে পাহাড়ের কোলেই চিরঘুমে তলিয়ে গিয়েছেন বিপ্লব বৈদ্য এবং কুন্তল কাঁড়ার৷ সোমবার শহরে ফেরেন আরও দুই পর্বতারোহী রুদ্রপ্রসাদ হালদার এবং রমেশ রায়৷ সহযাত্রীর মৃত্যুতে শৃঙ্গ জয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে গিয়েছে বলেই জানাচ্ছেন পর্বতারোহীদের৷

[ আরও পড়ুন: ঘাসফুল না পদ্ম, আগাম জানতে জ্যোতিষীতেই আস্থা রাজনীতিকদের]

সোমবার তখন কলকাতা বিমানবন্দরে মানুষের ভিড়৷ কারও হাতে মালা৷ কারও হাতে ফুলের তোড়া৷ চোখেমুখে হাসির ঝিলিক৷ আর হবে না-ই বা কেন৷ দুর্গম কাঞ্চনজঙ্ঘার শিকড় ছোঁয়া পর্বতারোহীদের যে এদিন শহরে ফেরার কথা৷ হাসিমুখে বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে এলেন রুদ্রপ্রসাদ হালদার এবং রমেশ রায়৷ আনন্দের সীমা নেই তাঁদের৷ শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তাঁরা৷ বহুদিন পর আবারও পরিজনদের দেখে আনন্দেও যেন চোখে জল চলে আসার অবস্থা৷ বারবারই গলা বুজে আসছে দুই পর্বতারোহীর৷ মনে পড়ছে চিরঘুমের দেশে পাড়ি দেওয়া কুন্তল কাঁড়ার এবং বিপ্লব বৈদ্যর কথা৷ গলার কাছে বারবার যেন দলা পাকিয়ে উঠছে সহযাত্রীকে হারানোর যন্ত্রণা৷ সঙ্গীদের ফেলে রেখে শহরে ভাল রেখে মন ভাল নেই তাঁদের৷ শেরপাদের কাছ থেকে সঠিক সহযোগিতা পাননি বলেও অভিযোগ করেছেন রুদ্রপ্রসাদ হালদার৷

[ আরও পড়ুন:  ভোটের লাইনে দাঁড়ানো দেবের জামায় নজর, সেলাই নিয়ে নেটদুনিয়ায় সমালোচনা]

গত ৪ এপ্রিল কাঞ্চনজঙ্ঘার পথে রওনা দেন সোনারপুর আরোহী ক্লাবের বিপ্লব বৈদ্য, রুদ্রপ্রসাদ হালদার, হৃদয়পুরের বাসিন্দা এবং মাউন্টেন কোয়েস্ট ক্লাবের সদস্য রমেশ রায়, ইছাপুরের শেখ সাহাবুদ্দিন ও হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের কুন্তল কাঁড়ার। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পূর্বা, মিংমা, দাওয়া তেম্বা, দাওয়া সিরিং এবং দাওয়া নামের পাঁচ জন দক্ষ শেরপা। ১০ মে ক‍্যাম্প-২ তে পৌঁছান পর্বতারোহীরা৷ তাঁরা ঠিক করেন ১১ মে বিশ্রাম নেবেন৷ তার পরের দিন ক‍্যাম্প-৩ পৌঁছে যাবেন বলে স্থির করেন। কিন্তু বাদ সাধল খারাপ আবহাওয়া৷ তাই সেদিন ক‍্যাম্প-২ তেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ১৩ মে ক‍্যাম্প-৩ এ পৌঁছান পর্বতারোহীরা৷ পরেরদিন ভোরে শুরু করেন ক্যাম্প ফোর অর্থাৎ সামিট ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে যাত্রা। ১৪ মে বিকেলে শুরু হয় ‘ফাইনাল অ্যাটেম্পট’৷ বুধবার সকালে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায় পা রাখেন চার বাঙালি৷ পাহাড়চূড়া থেকে নামার পথে অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রাণ হারান কুন্তল এবং বিপ্লব৷ তুষার ক্ষতের জেরে কাঠমান্ডুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তাঁরা৷ সোমবার ফিরে এসেছেন শহরে৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং