২২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভদীপ রায়নন্দী, শিলিগুড়ি: মায়ানমার থেকে সোনা এনে কলকাতায় পাচার। হাতভরতি ডলার নিয়ে ফিরে যাওয়া মিজোরামে। সেখানে সোনা বিক্রির মূল্য হস্তান্তর করে ফের নতুন সোনা নিয়ে পাচার। এভাবেই চক্র চালিয়ে যাচ্ছিল মা আর ছেলে। তবে বেশিদিন তা চলল না। সোমবার শিয়ালদহ থেকে শিলচরগামী আপ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মিজোরামের ওই দুই পাচারকারীকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে নকশালবাড়ি কাস্টমস ডিভিশন প্রিভেন্টিভ ইউনিট। আজ তাদের শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে খড়গপুরের স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পরীক্ষা চলায় বিপাকে পড়ুয়ারা]

কাস্টমস সূত্রে খবর, ধৃত মিজোরামের বাসিন্দা লালথাং পিউ এবং রাহুল পিউ সম্পর্কে মা ও ছেলে। সোমবার সন্ধেবেলা আপ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরায় যাচ্ছিল তারা। শিলচর হয়ে তাদের মিজোরাম যাওয়ার কথা ছিল তাদের। তারপর সেখানে সোনা পাচারের ডলার সরবরাহকারীদের হাতে তুলে দিয়ে নতুন করে চোরাই সোনা নিয়ে ফের কলকাতায় এনে তা বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। এভাবে যে মায়ানমার হয়ে কলকাতায় সোনা পাচার হচ্ছে, গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে নকশালবাড়ি কাস্টমস ডিভিশন প্রিভেন্টিভ ইউনিট গোপন অভিযান চালিয়ে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে। দু’জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ লক্ষ ৩৮,৭০০ মার্কিন ডলার।

[আরও পড়ুন: নতুন উদ্যমে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি, এবার না যাওয়া গ্রামগুলিতে জনসংযোগ বিধায়কের]

নকশালবাড়ির কাস্টমস ডিভিসন প্রিভেন্টিভ ইউনিটের সুপারিনটেনডেন্ট শ্যামল মজুমদার বলেন, “মায়ানমার থেকে সোনা পাচারের পেমেন্ট এদের কাছে পৌঁছয়। এরপর এরা দুজন সেই পেমেন্ট কলকাতা থেকে নিয়ে আবার মায়ানমারে ফিরে যাচ্ছিল। গোটা ঘটনায় আরও কারা জড়িত রয়েছে সমস্ত বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে কাস্টম বিভাগ।” এত ডলার উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় হতবাক শুল্ক দপ্তেরর আধিকারিকরাও। মা-ছেলেকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁরা গোটা চক্রের হদিশ পেতে চাইছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং