৭  আশ্বিন  ১৪২৯  সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

স্বাধীনতা দিবসের আগেই গ্রেপ্তার দুই জেএমবি জঙ্গির কলকাতা যোগ! শুরু তদন্ত

Published by: Biswadip Dey |    Posted: August 12, 2022 9:08 am|    Updated: August 12, 2022 9:08 am

Two JMB terrorists arrested before Independence Day in Bhopal। Sangbad Pratidin

প্রতীকী ছবি।

অর্ণব আইচ: কলকাতার উপকণ্ঠ থেকে জঙ্গিদের তহবিলের টাকা মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ভোপালে (Bhopal)। সেই টাকা ব্যবহার করেই স্বাধীনতা দিবসের আগে নতুন করে মগজধোলাই শুরু করেছিল বাংলাদেশের (Bangladesh) জঙ্গিরা (Terrorist)। সম্প্রতি ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গি সংগঠনের দুই সদস্যের সঙ্গে কলকাতা-সহ এই রাজ্যের যোগ খুঁজছেন গোয়েন্দারা।

কয়েক বছর আগে জেএমবির পেট্রল বোমা তৈরি করে হামলার ছক কয়েক বছর আগে ভেস্তে দিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। এরপর ফের জেএমবি জঙ্গিদের বোমা তৈরির ছকের প্রমাণ আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতেও। ধৃত দুই বাংলাদেশি জেএমবি জঙ্গি মগজধোলাই ছাড়াও স্বাধীনতা দিবসের আগে কোনও হামলার ছক কষেছিল কি না, গোয়েন্দারা তা জানার চেষ্টা করছেন। এমনকী, নতুন করে এই রাজ্যের কোনও জেলায় তারা স্লিপার সেল তৈরির কাজ শুরু করেছে কি না, সেই তথ্যও জানার চেষ্টা করছেন এই রাজ্য ও কলকাতার গোয়েন্দারাও।

[আরও পড়ুন: নয়া পালক শশী থারুরের মুকুটে, লিজিয়ঁ দ্য অনার পাচ্ছেন কংগ্রেস সাংসদ]

সম্প্রতি এনআইএ-র হাতে ভোপালের এইন্টখেদি থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় দুই বাংলাদেশি জেএমবি সদস্য। তাদের মধ্যে হামিদুল্লা ওরফে রাজু গাজি ওরফে মুফ্ফাকির ওরফে সামিদ আলি মিঞা ওরফে তালহা বাংলাদেশের ঢাকার নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থানা এলাকার বাসিন্দা। অন্য জঙ্গি মহম্মদ শাহদাত হোসেন ওরফে আবদুল্লার আসল বাড়ি বাংলাদেশের মাদারিপুর জেলার খোয়াজপুরে। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে এই রাজ্যে এসেছিল তারা। এই রাজ্যে তাদের আশ্রয় দিয়েছিল স্লিপার সেল। এরপর কলকাতা হয়েই ঘুরপথে ট্রেনে করে এসে পৌঁছয় ভোপালে। এখানেই ভুয়ো পরিচয়ে ডেরা বাঁধে।

সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে জেহাদের ‘আদর্শ’ ছড়িয়ে মগজধোলাই শুরু করে তারা। একই সঙ্গে চলে জেএমবিতে নতুন করে নিয়োগ পদ্ধতিও। বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখত এই জঙ্গিরা। যোগাযোগ রাখার জন্য যে জেএমবি জঙ্গি সদস্য ও তাদের মাথারা বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করছে, সেই প্রমাণও এসেছে এনআইএ আধিকারিকদের হাতে।

[আরও পড়ুন: ‘খয়রাতির রাজনীতির শিকার দেশের অর্থনীতি’, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের]

গত মার্চ মাসে ভোপাল থেকেই গ্রেপ্তার হয় সাতজন জেএমবি জঙ্গি। তাদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশের। বাকিরা মধ্যপ্রদেশেরই বাসিন্দা। তখনই প্রমাণ মিলেছিল যে, বাংলাদেশের এই জঙ্গিরা বিভিন্ন রাজ্যেও নিয়োগ শুরু করেছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তদন্তে প্রমাণ মেলে যে, কলকাতার উপকণ্ঠ ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় তৈরি হয়েছে জেএমবি-র স্লিপার সেল। ওই স্লিপার সেলই তৈরি করছে জেএমবি-র তহবিল। সেই তহবিলের টাকা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে হাওলা অপারেটরের মাধ্যমে পৌঁছেছে ভোপালে। এনআইএ-র টিম গত কয়েক মাসে কয়েকটি জেলায় হানা দেয়। জানা যায়, জেএমবি এবার পেট্রো-ল বোমা তৈরি করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যে ভিডিও দেখে জঙ্গিরা ওই বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়েছিল, সেই ভিডিও গোয়েন্দাদের হাতে আসে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে