Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Kolkata Police

প্রমাণ লোপাটেও মিলবে না রেহাই! ‘খুনি’ খুঁজতে লালবাজারে আরও ২ ট্র্যাকার কুকুর

খুন বা ডাকাতির মতো বড় অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে 'ট্র্যাকার ডগ'-এর ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ০৯:১৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ০৯:১৩

options
link
প্রমাণ লোপাটেও মিলবে না রেহাই! ‘খুনি’ খুঁজতে লালবাজারে আরও ২ ট্র্যাকার কুকুর zoom

খুন করে গা ঢাকা দিয়েছে খুনি। কিন্তু খুনের ঘটনাস্থলে খুনি তার নিজের অজান্তেই রেখে গিয়েছে তার গায়ের গন্ধ। আর সেই গন্ধ শুঁকে খুনির নাগাল পাওয়াই ‘ট্র্যাকার ডগ’-এর কাজ। আরও কিছুদিনের মধ্যে দু’টি খুনি ধরা গোয়েন্দা কুকুর বা ‘ট্র্যাকার ডগ’ পাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রশিক্ষণ চলছে এই দুই গোয়েন্দা কুকুরের। এ ছাড়াও জুলাইয়ের মধ্যেই আরও চারটি ‘বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ’ গোয়েন্দা কুকুর কলকাতায় এসে পৌঁছবে বলে আশা পুলিশের। এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের ‘ডগ স্কোয়াড’-এ যে সদস্যরা রয়েছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ‘বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ’। মূলত ভিআইপি ও ভিভিআইপিরা কোথাও যাওয়ার আগে সেখানে পাঠানো হয় ‘বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ’ পুলিশ কুকুর।

এ ছাড়াও কোথাও কোনও সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া গেলে পুলিশ সেখানে গোয়েন্দা কুকুর নিয়ে হাজির হয়। কিন্তু খুন বা ডাকাতির মতো বড় অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে ‘ট্র্যাকার ডগ’-এর ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। খুনি বা অপরাধীরা ঘটনাস্থলে নিজেদের ব্যবহার করা কোনও জিনিস ফেলে রাখলে সেগুলি শোঁকানো হয় গোয়েন্দা কুকুরদের। এ ছাড়াও ঘর বা ঘটনাস্থলে খুনি বা অপরাধীর গন্ধ থাকলে তা শুঁকে সে কোনদিক দিয়ে পালিয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করে পুলিশ কুকুর। সেই ‘রুট’ ধরেই পুলিশ এগিয়ে গিয়ে অপরাধী ধরার চেষ্টা করে। কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডে কর্মরত দু’টি কুকুর রয়েছে, যারা খুনি বা অপরাধীদের সন্ধান চালায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

লালবাজারের মতে, এই সংখ্যা যথেষ্ট নয়। তাই আরও দু’টি শাবককে ট্র্যাকার ডগ তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণে পাঠায় কলকাতা পুলিশ। মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র জেলার টেকানপুরে রয়েছে বিএসএফের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই মোট ৬টি কুকুর শাবককে ওই কেন্দ্রে প্রশিক্ষণে পাঠিয়েছে লালবাজার। সূত্রের খবর, প্রায় ৪৬ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও তাদের বাইরে বের করানো হয়েছে। প্রচণ্ড গরমেও তারা যাতে মানিয়ে নিয়ে পারে, সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কুকুরগুলির মধ্যে চারটি ল্যাব্রাডর ও দু’টি ককার স্প্যানিয়েল। এই চারটির মধ্যে দু’টি ল্যাব্রাডর ও দু’টি ককার স্প্যানিয়েলকে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হতে পারে জুলাইয়ে। বাকি দু’টি ল্যাব্রাডরকে দেওয়া হচ্ছে খুনি বা অপরাধী খোঁজার প্রশিক্ষণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.