৯ মাঘ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দীপঙ্কর মণ্ডল: স্কুল পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহার একেবারে নিষিদ্ধ করতে চলেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। এমনকী ক্লাস নিতে গেলে মোবাইল সঙ্গে রাখতে পারবেন না।আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই কড়াকড়ি হতে চলেছে এই নিয়ম। সোমবার স্কুলশিক্ষা দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানিয়েছে। ২২ পাতার বিজ্ঞপ্তিতে আরও বেশ কিছু নিয়মাবলির উল্লেখ করেছেন দপ্তরের উপসচিব পার্থ কর্মকার।

সরকারি স্কুলগুলিতে পড়াশোনার সময়সীমা সকাল ১০ টা ৫০ থেকে বিকেল সাড়ে ৪ টে পর্যন্ত। দেড়টায় বিরতি। তার আগে পর্যন্ত চারটি পিরিয়ড ৪০ মিনিটের এবং বিরতির পর চারটি পিরিয়ড ৩৫ মিনিটের। এভাবেই চলবে প্রতিদিন। তবে প্রত্যেক পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকাকে সকাল ১০ টা ৪০এর মধ্যে স্কুলে পৌঁছতে হবে, প্রার্থনায় অংশ নিতে হবে। ক্লাস শুরুর হওয়ার ১০মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ কেউ স্কুলে ১১ টার মধ্যে না ঢুকতে পারলে, ওইদিনের জন্য তাকে ‘অনুপস্থিত’ বলে ধরা হবে। নিয়মাবলির এই অংশেই রয়েছে মোবাইল নিষেধাজ্ঞার কথা। জানানো হয়েছে, মোবাইল নিয়ে স্কুল চত্বরে একেবারেই ঢুকতে পারবে না পড়ুয়ারা। শিক্ষকদের জন্য মোবাইল ব্যবহারে আরও কিছু বিধিনিষেধ লাগু করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বিল আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল, বিধানসভায় ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ তৃণমূলের]

নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্লাসে পড়ানো বা ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময়ে কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। এতে পড়ুয়াদের মনসংযোগে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। যদি খুব প্রয়োজনে কাউকে ঘনঘন মোবাইল ব্যবহার করতে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষক, শিক্ষিকাকে পড়ানো ছাড়াও স্কুলের নানা কাজে বিশেষত পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা যায়, এমন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে পড়ুয়াদের অন্যান্য কাজেও শামিল করতে হবে। 

সম্প্রতি সরকারি স্কুলের পঠনপাঠন পদ্ধতি এবং মান নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়া, শিক্ষকরা অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করায় পড়াশোনায় ফাঁকিবাজি হয় এবং অনেক সময়েই স্কুল শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষকরা চলে যান, এমন অভিযোগও কম নয়। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখে শিক্ষামন্ত্রী নতুন করে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দেন। তার খসড়া বানিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠান স্কুলশিক্ষা দপ্তরের উপসচিব। ৯ তারিখ সেই নির্দেশিকায় সিলমোহর দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপর তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই বিধি লাগু হয়ে যাবে। এর আগে বীরভূম জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফেও মোবাইল ব্যবহার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: দেউচা-পাঁচামি নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি, খনি অঞ্চল পরিদর্শনে যেতে পারেন ধনকড়]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং