BREAKING NEWS

২০ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বুধবার ৩ জুন ২০২০ 

Advertisement

মূর্তি ভাঙার জের! কলেজ স্ট্রিটে বিক্রি বাড়ল বর্ণপরিচয়ের

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: May 18, 2019 11:05 am|    Updated: May 18, 2019 2:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির বিদ্যাসাগর চর্চা বিগত কয়েক দিনে এমনভাবে বেড়ে গিয়েছে, যা রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। কলেজ স্ট্রিট চত্বরে চোখ-কান খুলে ঢুঁ মারলেই মিলবে তার প্রমাণ। থরে থরে সাজানো বই৷ তার মাঝখান থেকেই এতদিন উঁকি মারত ‘বর্ণপরিচয়’। তবে, গত দু’দিনে ক্রেতাদের চাহিদায় ধুলো ঝেড়ে একদম তাকের সামনের দিকে স্থান পেয়েছে ‘বর্ণপরিচয়’, বলছেন কলেজ স্ট্রিটের দোকানদাররাই। বিক্রিও চোখে পড়ার মতোই। 

[আরও পড়ুন:  ‘সহজপাঠের জন্য বিখ্যাত বিদ্যাসাগর’, বেফাঁস মন্তব্যে লোক হাসালেন দিলীপ ]

শৈশবে ‘বর্ণপরিচয়’ দিয়েই হাতেখড়ি হয়েছিল। অক্ষর জ্ঞানের প্রথম ধাপে এই বইটি পড়েছেন সকলেই৷ তবে, বর্তমানে ঝরঝরে ইংরেজি বলা এবং শিক্ষার দৌলতে কোথাও গিয়ে যেন স্কুলব্যাগে কমে গিয়েছে বইটির আনাগোনা। কিন্তু গত মঙ্গলবার মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকে বিদ্যাসাগর এবং বর্ণপরিচয় এখন বড়ই প্রাসঙ্গিক। এই পরিস্থিতিতে বহু ক্রেতাই ভিড় জমিয়েছেন কলেজ স্ট্রিটে। এখন অনেকেই কচিকাঁচা নিয়ে এসে দোকানে জিজ্ঞেস করছেন, “দাদা ‘বর্ণপরিচয়’ হবে?” বাঙালি-অবাঙালি নির্বিশেষে ‘বর্ণপরিচয়’ এখন চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিক্রেতারা বলছেন, যে বই বিক্রি হত না সেভাবে, সেই বর্ণপরিচয়ই নাকি এক্কেবার চার-চারখানা কিনে নিয়েছেন অনেকই৷”

[আরও পড়ুন: খুন হয়েছেন জামাই! মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে ক্ষীরপাইয়ে প্রতীকী শ্রাদ্ধানুষ্ঠান]

শ্যামাচরণ স্ট্রিটের দেব লাইব্রেরির ইনচার্জ সুকুমার মল্লিক জানিয়েছেন, আমাদের দোকানে গত কয়েকদিনে অনেকেই ‘বর্ণপরিচয়’ নিতে এসেছেন। তবে, মূর্তি ভাঙার জন্য হচ্ছে কি না, জানা নেই। বিদ্যাসাগর কোথাও গিয়ে নতুন করে বড় প্রাসঙ্গিক উঠেছেন। বিগত কয়েকদিনে গুগল সার্চ ইঞ্জিনেও বিদ্যাসাগরের খোঁজের ধুম দেখলে চক্ষু চড়ক গাছ হতে পারে আপনারও। উল্লেখ্য, গুগলে গিয়ে Vidyasagar লিখে সার্চ করুন একবার। লক্ষ্য করবেন, বেশিরভাগ ভিডিও-ই ১৪ মে’র পরের। বর্তমানে রাজনীতির ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছেন বিদ্যাসাগর। শেষ দফা লোকসভা ভোটের আগে তিনিই হয়ে দাঁড়িয়েছেন শাসক থেকে বিরোধী সকলের আলোচনার বিষয়৷ 

তবে, প্রশ্ন একটাই বাংলা শিক্ষার প্রথম ধাপের বইটা পড়ার জন্য কিংবা সেই বইয়ের স্রষ্টাকে পরবর্তী প্রজন্মের সঙ্গে পরচিয় করানোর জন্য এমন কারণও দরকার ছিল কী?

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement