Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

কল চুরি, পঞ্চমীতে মহাদুর্ভোগ জলমগ্ন মেডিক্যালে

এই ঘটনার পরই সুপার স্পেশ্যালিটি বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ০৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ০৯:০২

options
link
কল চুরি, পঞ্চমীতে মহাদুর্ভোগ জলমগ্ন মেডিক্যালে zoom

গৌতম ব্রহ্ম: জলে ভাসল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশ্যালিটি বিল্ডিং। ডুবল অন্ধকারে। অচল হল ইউএসজি-সহ রোগ নির্ণয়ের একাধিক মেশিন। পরিস্থিতি সামলাতে হাজারখানেক রোগী নিয়ে অন্যত্র সরল বহির্বিভাগ। সবমিলিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ডাকলেন মেডিক্যালের সুপার ডা. ইন্দ্রনীল বিশ্বাস।

[আরও পড়ুন: দুঃস্থদের পাশে দাঁড়াতে ‘দান উৎসব’-এ শামিল বিড়লা কর্পোরেশন]

ঘটনার সূত্রপাত সুপার স্পেশ্যালিটি বিল্ডিংয়ের দোতলায়। সিকিউরিটি ইনচার্জ এসে দেখেন, জলে ভেসে যাচ্ছে দোতলা, একতলা। হুড়হুড় করে সিঁড়ি বেয়ে জল নামছে দোতলা থেকে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি খবর দেন ইন্দ্রনীলবাবুকে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, দোতলার ওটি কমপ্লেক্সের স্টোররুম লাগোয়া একটি কল ও নিচতলার একটি কল কে বা কারা চুরি করে নিয়েছে। সেখান থেকেই জল বেরিয়ে ভাসিয়েছে দু’টি তলা। এই বিল্ডিংয়ের দোতলায় ওটি কমপ্লেক্স। নিচে ইউএসজি মেশিন-সহ একাধিক রোগ নির্ণায়ক মেশিন। বিপর্যয়ের আশঙ্কায় সুপারের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গেই ‘পাওয়ার অফ’ করা হয়। এদিকে বিল্ডিংয়ে তখন হাজারখানেক রোগীর ভিড়। বৃহস্পতিবার মানেই ডায়াবেটিস ক্লিনিক। তার উপর ইউরো-সার্জারি, নিউরো-সার্জারির আউটডোর।

Advertisement

সপ্তাহে একদিনই এই সব স্পেশ্যালিস্ট ডাক্তারবাবুরা বসেন। ফলে, দূরদূরান্ত থেকে লক্ষ্মীবারে এসে রোগীরা ভিড় করেন মেডিক্যাল। ডাক্তারবাবুরা এটা বিলক্ষণ জানেন। তাই রোগীস্বার্থে ওই জল বিপর্যয়ের মধ্যেই তাঁরা কাজ শুরু করেন। জলে পা ডুবিয়ে রোগী দেখাও শুরু করলেন। কিন্তু, তাতেও শেষ রক্ষা হল না। ‘পাওয়ার কাট’ হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় সেন্ট্রাল এসি। ফলে এক দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাধ্য হয়েই সুপারের সঙ্গে কথা বলে তিন নম্বর গেটের সামনে পুরনো আউটডোর বিল্ডিংয়ে রোগীদের সরিয়ে আনা হয়।

[আরও পড়ুন:ট্যাংকে জলের অভাব, বৈশাখী মলে আগুন নেভাতে হিমশিম খেল দমকল]

ইন্দ্রনীলবাবু জানিয়েছেন, জলের কল ছাড়া অন্য কিছু চুরি করতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। তবে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ওটি কমপ্লেক্সের দরজা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চোরেরা। কিন্তু, গেটগুলি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তবে টানাটানিতে ওটির দরজার হ্যান্ডেল ও লক নষ্ট হয়েছে। বিকেলে বউবাজার থেকে পুলিশ আসে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা দেখেন, চোরেরা নিচ থেকে পাঁচ-ছটা পুরনো পাইপ নিয়ে দোতলায় উঠে পালানোর চেষ্টা করেছিল। গোটা ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কারণ, এই সুপার স্পেশ্যালিটি ব্লকে কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। ঘটনার পরই সুপার স্পেশ্যালিটি বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.