সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার একুশে জুলাইয়ের ভারচুয়াল সমাবেশ থেকেই একুশের ভোটের দামামা বাজিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একুশ জয়ের সুরও বেঁধে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। যার জেরে এবার পালটা রণনীতি নির্ধারণে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে গেরুয়া শিবিরও। গোটা বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব একুশের বাংলা দখলের রূপরেখা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) জরুরি তলবে দিল্লি উড়ে গেলেন বুধবার।
এদিন দিল্লি গেলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহারা (Rahul Sinha)। দিলীপ ঘোষ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে আসতে পারছেন না। কিন্তু বৈঠক জরুরি। রাজ্যের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরতে প্রদেশ নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতেই দিল্লি যাওয়া।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ স্মরণ ভারচুয়াল সমাবেশের দিনই দিল্লি উড়ে যান জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য মুকুল রায় ও বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত।
[আরও পড়ুন: বাংলার কথা ভাবার জন্য বিজেপি এসে গিয়েছে, তৃণমূল চুটকি বাজালে সরে যাবে: দিলীপ ঘোষ]
উল্লেখ্য, একুশের সমাবেশ থেকে বিজেপিকে হারানোর মন্ত্র বলে দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, ‘গুজরাট বাংলাকে শাসন করবে না। বাংলাকে চালাবে বাংলার মানুষই। একুশে তৃণমূলই জনগণের সরকার গড়বে।’ মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কারের পরই নড়েচড়ে বসেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। করোনা পরিস্থিতি, লকডাউনের মধ্যেও আগামী বছর বাংলা দখলকে পাখির চোখ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। তার আগে সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধি, দলের ফাঁকফোকর নিয়ে দিল্লিতে হাইকমান্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসতে গিয়েছেন নেতারা।
[আরও পড়ুন: ‘ধর্মনিরপেক্ষ দল বিজেপি’, ২১ জুলাইয়েই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়ে বললেন মেহতাব হোসেন]
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!
-
‘পদে পদে বাধা দিত আগের সরকার’, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ দেখে তৃণমূলকে তোপ রেলমন্ত্রী বৈষ্ণবের