গৌতম ব্রহ্ম: মিজোরামে রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলার ২৪ জন শ্রমিকের। এই ঘটনায় কেন্দ্র সরকারকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সাহায্যের আশ্বাস দিলেন তিনি। পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষের কাছেও সাহায্যের দাবিও জানান।
বেশি টাকার লোভ দেখিয়ে মিজোরামে বাংলার যুবকদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলের পরিকাঠামো নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “মিজোরামে রেলের কাজ করতে মালদহের লোকজনেরা গিয়েছিলেন। রেলের দুর্বিষহ অবস্থা। ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ২৪ জন মালদহের। রতুয়ার ১৬। ইংরেজবাজারের ৬-৭ জন। আমরা পরিবারগুলোকে সাহায্য নিশ্চয়ই করব। তবে রেলের কাছে দাবি করব আপনাদের কাজ করতে গিয়ে কারও মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া প্রয়োজন। আমরা এর আগে ওড়িশা রেল দুর্ঘটনায় নিহত বাংলার লোকজনের পরিজনদের আর্থিক সাহায্য করেছি। চাকরি দিয়েছি। আমাদের এখানে একটা ব্রিজ ভেঙেছিল। প্রধানমন্ত্রীও ব্যঙ্গ করেছিলেন। গুজরাট এবং বিহারেও ব্রিজ ভেঙেছে, কই কিছু বললেন না?”
মিজোরামে ব্রিজ দুর্ঘটনায় মালদহের ২৫ শ্রমিকের মৃত্যুর আশঙ্কা, কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার
এবারের ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম নথিভুক্তকরণের বন্দোবস্তও করেছে রাজ্য সরকার। সেকথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বুধবার মিলন মেলার মঞ্চ থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলায় ফিরে আসার আরজি জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেন ৫ লক্ষ টাকা লোন না নিয়ে বাইরে যাচ্ছেন? ল্যাংচা হাব, মসলিন তীর্থ করেছি। ৬০২টি ক্লাস্টার তৈরি হয়েছে। ১০০টির বেশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক। ৭৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ। কেন পরিবার ছেড়ে বাইরে আছেন? ফিরে আসুন। পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম আমরা রেজিস্ট্রার করব। কোভিডের সময়েও নিয়ে এসেছিলাম। চলে আসুন বাংলায়।”
[আরও পড়ুন: সীমা হায়দারের ছায়া বাংলায়, স্বামী-সন্তানদের ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে ‘উধাও’ গৃহবধূ! তারপর…]
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট