ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: বিধানসভায় পাশ বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিল। বুধবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বেতন বৃদ্ধির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, “আমি বেতন বাড়িয়েছি বেশ করেছি। সুযোগ পেলে আবার বাড়াব।”
মমতা বলেন, “যাঁদের পকেটে টাকা ভর্তি, তাঁরা চিৎকার করছেন। গোলমাল করছেন। অনেক বিধায়ক আছেন যাঁদের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি তাঁদের টাকা নেওয়ার দরকার নেই। অনেকে আছেন খেতমজুরি করে রোজগার করেন। এমন পঞ্চায়েত সদস্যও আছেন যাঁরা ১০০ দিনের কাজ করেন। তাঁদের কথা তো বললেন না। তাঁদের জন্য আপনাদের হৃদয় কাঁদে না। একটা গরিব লোক দুটো বিড়ি খেলে চোর বলে চিৎকার করেন।”
[আরও পড়ুন: পরপুরুষের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ’ স্ত্রী, দেখে ফেলায় প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে ‘খুন’ করল বধূ]
বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে বলেন, “যার কাছে আজ আছে ভুরিভুরি, তারা সাধু হয়ে গিয়েছেন। গেরুয়া পরলেই সাধু হয় না। এই কটা টাকা বিধায়কের জন্য বাড়িয়ে এক কোটি টাকা মাত্র খরচ হচ্ছে। বলছে বিধায়কদের ৪০ হাজার টাকা বেড়েছে। তোমাদের তো ওই টাকা নস্যি খেতে লাগে। ওরা মুখে বলছে কেন বাড়ানো হল? নেওয়ার সময় প্রথম গিয়ে নেয়। সিপিএমকে দেখতাম দিল্লিতে বলত নেব না। পরের দিন দিল্লি চলে যেত।” মমতার হুঙ্কার, “এইটুকু বাড়িয়েছি। তাতে মানুষের কী হয়? চিকিৎসা করতেই কত চলে যায়। আমি বাড়িয়েছি বেশ করেছি। সুযোগ পেলে আবার বাড়াব।”
উল্লেখ্য, পুজোর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির সুখবর শোনান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একধাক্কায় ৪০ হাজার টাকা বেতন বাড়ে তাঁদের। এতদিন মাত্র মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন পেতেন বিধায়করা। অন্যান্য ভাতা ও বৈঠকে যোগ দিলে সেই বাবদ মাসিক প্রাপ্য দাঁড়াত ৮০-৮২ হাজার টাকা। এবার সেই প্রাপ্য বেড়ে দাঁড়াবে লাখ টাকার বেশি।
[আরও পড়ুন: ‘অভিনেত্রী নয়, শিক্ষিত মানুষ চাই’, লোকসভার আগে নুসরত ‘বিরোধী’ পোস্টারে ছয়লাপ বসিরহাট]
সর্বশেষ খবর
-
লেনিন নয়, হৃদয় সম্রাট শিবাজি! ‘লাল’ যাদবপুরে পালিত ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিবস’
-
লিঙ্কডিনে ফুটবলার খুঁজে বিশ্বকাপের নকআউটে! কেপ ভার্দের স্বপ্নের সওদাগর যে মানুষটা
-
জীবিকা হারানো হকারদের এককাট্টা করে আন্দোলনের প্রস্তুতি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’, ফের পথে মমতা!
-
প্রতীক কার! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ ‘কালীঘাট তৃণমূলের’
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!