সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বৃহত্তর স্বার্থে’ ইন্ডিয়া জোট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চার শেষ নেই। কন্যাশ্রী দিবসের অনুষ্ঠানেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেই সেই জোটেরই কথা। অনুষ্ঠান শেষে ‘জয় বাংলা’র সঙ্গে ‘জয় ইন্ডিয়া’ বললেন তিনি।
বাংলাবাসীকে কেউ ভয় দেখাতে পারবে না বলে বারবার হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের মঞ্চ থেকেও একই কথা বললেন তিনি। মমতার কথায়, ‘‘স্বাধীনতার যুদ্ধ, স্বাধীনতার লড়াই সবটাই কিন্তু বাংলা থেকে হয়েছিল। কোনও দিন যদি আন্দামান নিকোবর জেলে যাও, দেখবে যত নাম আছে, তার মধ্যে ৯০ শতাংশ নাম আছে বাংলার। আর বাদবাকি পাঞ্জাবের। সুতরাং বাংলা যে স্বাধীনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল, সেটা নতুন করে বলার প্রয়োজন লাগে না। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার মেধা এগিয়ে চলুক। কেউ যেন থামাতে না পারে। বাংলাকে যেন কেউ চমক দেখাতে না পারে। বাংলাকে আমরা চমক দেখাব, উন্নয়নের সঙ্গে। বাংলাকে ধমকানি, চমকানি নয়। বাংলা আমার কাছে আমার ঘর, মায়ের শাড়ির আঁচল, আম্মার শাড়ির আঁচল। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, সবাই একসঙ্গে থাকবে। বাংলা সংহতির এক প্রধান কেন্দ্র।’’
[আরও পড়ুন: ‘দোষীদের শাস্তি দেবই’, যাদবপুরের ছাত্রের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে কান্নাভেজা চোখে শপথ বাবার]
কন্যাশ্রী দিবস একদিন ওয়ার্ল্ড গার্লচাইল্ড ডে হিসেবে পালিত হবে বলেও আশা মমতার। বলেন, ‘‘আজ কন্যাশ্রী একটি ব্র্যান্ড। আমি বিশ্বাস করি। কন্যাশ্রী দিবস সারা দেশে একদিন ওয়ার্ল্ড গার্লচাইল্ড ডে হিসেবে পালিত হবে। কন্যাশ্রীর লোগো গরিব মেয়ের ছবিকে নিয়েকে তৈরি করি। কন্যাশ্রীর গানটিও আমার লেখা এবং লোপামুদ্রার গাওয়া।’’ বক্তৃতার শেষে ‘আমার ঠিকানা’ এবং ‘মাটির ঘর’ নামে নিজের লেখা দু’টি কবিতা পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘আমার ঠিকানা’ কবিতাটি সিঙ্গুর নিয়ে আমরণ অনশনের ২৬তম দিনে লেখেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া জোটে বঙ্গ কংগ্রেসে ‘তৃণমূল অ্যালার্জি’! হাই কমান্ডের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ কৌস্তভ]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক