Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CV Anand Bose

ভয়হীন পরিবেশ, সুরক্ষা বৃদ্ধিতে জোর, ক্যাম্পাসে অশান্তি রুখতে উপাচার্যদের পরামর্শ রাজ্যপালের

যাদবপুর কাণ্ডের জেরে ক্যাম্পাসে শান্তি বজায় রাখতে অন্তত ৬ দফা পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ০০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ০০:০১

options
link
ভয়হীন পরিবেশ, সুরক্ষা বৃদ্ধিতে জোর, ক্যাম্পাসে অশান্তি রুখতে উপাচার্যদের পরামর্শ রাজ্যপালের zoom
ফাইল ছবি।

রমেন দাস: সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন অশান্তির ঘটনায় নতুন করে ক্যাম্পাসের ভয়াবহ পরিবেশ প্রকাশ্যে এনেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে চত্বরে খোদ শিক্ষামন্ত্রীর উপর হামলা, উপাচার্যের আহত হওয়া, পড়ুয়াদের আঘাত পাওয়া – সবই শিক্ষার প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু যাদবপুর নয়, রাজ্যের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিবেশ ঠিক কেমন, তা জানতে উপাচার্যদের বৈঠকে ডেকেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজভবনের সেই বৈঠকে উঠে এল অনেক কিছুই। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার আদর্শ আবহ ফিরিয়ে আনতে একাধিক পরামর্শ দিলেন সিভি আনন্দ বোস। যার মূলে রয়েছে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা এবং ভয়হীনতার পরিবেশ।

শুক্রবার রাজভবনের বৈঠকে বেশিরভাগ উপাচার্যই হাজির ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি যাদবপুরের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। তবে তিনি হাসপাতাল থেকেই ভারচুয়ালি বৈঠকে কিছুক্ষণের জন্য যোগ দেন বলে খবর। বাকি উপাচার্যদের সঙ্গে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বেশ অনেকক্ষণ ধরেই আলোচনা হয়। পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসেবে যাদবপুরের সাম্প্রতিক ঘটনা তাঁকে উদ্বিগ্ন করেছে বলে জানান। ক্যাম্পাসে শান্তি বজায় রাখতে অন্তত ৬ দফা পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে চটজলদি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন আচার্য বোস।

Advertisement

বৈঠক শেষে রাজভবনের তরফে বিবৃতি দিয়ে সেসব জানানো হয়েছে। রাজ্যপালের পরামর্শগুলির মধ্যে অন্যতম, ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য একটি টিম তৈরি, নজরদারি বৃদ্ধি, অধ্যাপক-উপাচার্যের সঙ্গে পড়ুয়াদের আরও ভালো সম্পর্ক তৈরি, প্রতিষ্ঠানের নিয়মশৃঙ্খলা সম্পর্কে তাঁদের ওয়াকিবহাল করা। এছাড়া প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘটা কোনও অন্যায়ের দ্রুত নিরসন করাও অতি জরুরি পদক্ষেপ বলে মনে করেন আচার্য। কারণ তাতে পড়ুয়াদের ভরসা বাড়বে। সর্বোপরি যে কোনও সমস্যা মিটিয়ে ফেলে ভয়হীন পরিবেশ তৈরি কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে উপাচার্যদের মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.