নব্যেন্দু হাজরা: জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে আলোচনায় বসার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মক্ষেত্রে জুনিয়র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে রাজ্য প্রশাসন। একথা জানিয়ে শীর্ষ আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তাঁদের কাজ শুরুর আবেদন জানালেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থও।
মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্যসচিব। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, ডিজি রাজীব কুমার, এডিজি(দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতীম সরকার এবং কলকাতা পুলিশের সিপি বিনীত গোয়েল। সেখান থেকেই জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরার আবেদন জানান মুখ্যসচিব। সঙ্গে জানান, হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। আর কীভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা যায় তার জন্য বিভিন্ন মহলের পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: দক্ষিণ দমদমে ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যু, ‘কর্মবিরতির জেরে চিকিৎসা মেলেনি’ দাবি তৃণমূলের]
এদিন সুপ্রিম কোর্টে জুনিয়র চিকিৎসকদের আইনজীবী জানিয়েছিলন, ডাক্তাররা কাজে যোগ দিতে ভয় পাচ্ছে। নিরাপত্তার খামতি আছে। এই প্রেক্ষিতে মনোজ পন্থ জানান. প্রতিটি হাসপাতালেপ নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী হয়েছে। নতুন করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে। এছাড়া সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হবে হাসপাতাল। চিকিৎসকদের জন্য আলাদা শৌচাগার, রেস্টরুমও তৈরি করা হবে। এ জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আরও কীভাবে জুনিয়র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়, তা নিয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: উৎসবেও ‘বিচার’ বার্তা, পুজোর ক্যানভাস জুড়ে এবার আর জি কর ছায়া]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির