Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
রেশন কার্ড

ডিজিটাল নয়, পুরনো কার্ডেও বিনামূল্যে মিলবে রেশন, সিলমোহর নবান্নের

কুপন পৌঁছনোর কাজ শুরু করেছে পুরসভা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২০, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২০, ১৯:৫৩

options
link
ডিজিটাল নয়, পুরনো কার্ডেও বিনামূল্যে মিলবে রেশন, সিলমোহর নবান্নের zoom
ছবি: প্রতীকী

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ঘরে আছে শুধু সাদা রংয়ের পুরনো লম্বাটে রেশন কার্ডটা। ডিজিটাল কার্ডের জন্য আবেদনই করা হয়নি। অনেকে ডিজিটাল কার্ডের জন্য আবেদন করেও পাননি। শারীরিক অক্ষমতা বা পুরনো কার্ড বদলের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে আবেদন করার ঝক্কিই নিতে পারেননি বাকিরা। ফল, তাঁদের আর নতুন ডিজিটাল কার্ড হয়নি। তাই রেশনও পান না। এবার সেদিন অতীত।

লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি অসহায় প্রত্যেকের হাতে রেশন তুলে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার। সেই অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত হয়েছে ডিজিটাল কার্ড যাঁদের নেই, বা যাঁরা আবেদন করেও পাননি, এমনকী, মেলেনি ন্যূনতম রেশন–কুপনও, এবার আগ্রহী সেইসব গ্রাহককেও সরকারি বরাদ্দের রেশন দেওয়া হবে। এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও দ্রুত জারি করতে চায় খাদ্য দপ্তর। বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গেলে সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী মাথাপিছু প্রত্যেককেই দেওয়া হবে পাঁচ কেজি করে চাল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজে যোগ না দিলে বরখাস্ত করা হবে’, জানালেন ফিরহাদ]

ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভা সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। রেশন নিতে আগ্রহী গ্রাহকদের মধ্যে যাঁরা এখনও কুপন পাননি, তাঁদের হাতে কুপন পৌঁছনোর কাজ শুরু করেছে পুরসভা। বাকি জেলাগুলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি অ্যাপ তৈরি করার। সেই কাজ শেষ হলেই সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে দপ্তর। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, “অবশ্যই পুরনো কার্ডেও রেশন পাবেন গ্রাহকরা। যাঁরা এখনও ডিজিটাল কার্ড বা কুপন কোনওটাই হাতে পাননি তাঁদের জন্যই এই কাজটা করা হচ্ছে। যাঁরা এখনও ডিজিটাল কার্ডের জন্য আবেদনও করেননি, তাঁরাও যদি রেশন নিতে আগ্রহী হন তাঁরাও পাবেন। জেলাশাসকরা গোটা প্রক্রিয়াটা দেখছেন।”

যে অ্যাপের কথা বলা হচ্ছে, তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের কাছে রেশন–কুপনের জন্য আবেদন করা যাবে। যাঁরা ডিজিটাল কার্ডের আবেদন করেও পাননি, তাঁদের জন্য এই বিকল্প ব্যবস্থা হবে। যাঁদের হাতে স্রেফ পুরনো কার্ড, আগ্রহী এমন গ্রাহক গ্রামের ক্ষেত্রে একইভাবে অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন মহকুমা শাসকের অফিস বা ব্লক অফিসে। শহর বা পুর এলাকার ক্ষেত্রে আবেদন করবেন পুরসভার বরো অফিসে। খাদ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই গোটা প্রক্রিয়াটা সাজানোর কাজ করছে পুরনিগমের বরো অফিস এবং জেলাশাসক। তবে পরখ করে নেওয়া হবে ওই গ্রাহক ভুয়ো কি না। কার্ড নকল বা গ্রাহক ভুয়ো হলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

ডিজিটাল কার্ড পেয়েছেন এমন গ্রাহকের পাশাপাশি ডিজিটাল কার্ড না মেলায় ফুড কুপন পেয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী তা ‘কিছু কম ১০ কোটি’। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তাঁরা এখন ফ্রি রেশনও পাচ্ছেন। কিন্তু যাঁরা কিছুই পাননি, সবচেয়ে সমস্যায় তাঁরা। হাতে রয়েছে শুধু পুরনো সাদা রেশন কার্ড। আর নতুন ডিজিটাল কার্ডের আবেদন করার বারকোড দেওয়া রশিদ। মেলেনি রেশন–কুপনও। তাতে আর যাই হোক, কোনওভাবেই রেশনের চাল পাওয়া সম্ভব নয়। নবান্নের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই গ্রাহকদের মুখেও হাসি ফোটানো যাবে বলে জানাচ্ছেন খাদ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী সকলের মুখে অন্ন তুলে দিতে বলেছেন। আমরা সেই চেষ্টাই করছি। আশা করছি, দ্রুত জেলাওয়াড়ি এই প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। সকলে রেশন পাবেন।”

[আরও পড়ুন: ‘ভয়ংকর আকার নিচ্ছে করোনা’, উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি প্রবাসী চিকিৎসকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.