Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

প্রথা ভেঙে কন্যাদান ছাড়াই বিয়ে, নেটদুনিয়ায় প্রশংসা কুড়োচ্ছে এই ছবি

চার মহিলা পুরোহিতের ভূমিকায় বিয়ের মন্ত্রোচ্চারণ করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯, ১২:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯, ১২:২৯

options
link
প্রথা ভেঙে কন্যাদান ছাড়াই বিয়ে, নেটদুনিয়ায় প্রশংসা কুড়োচ্ছে এই ছবি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ সমাজ পুরুষতান্ত্রিক। সন্তানের পরিচয় থেকে কন্যাদান, সবই স্বীকৃতি পায় পুরুষের হাত ধরে। আর বিতর্কে না গিয়ে এমন সত্যকে মেনেও নিয়েছেন সমাজের নারীরা। কিন্তু ব্যতিক্রম কি ঘটে না? অবশ্যই ঘটে। আর তখনই তা হয়ে ওঠে অনন্য। তথাকথিত নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে নজর কাড়ে কিছু ঘটনা। তেমনই এক অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী রইল তিলোত্তমা। যা নেটদুনিয়ার মন জয় করেছে।

[জোর করে জঙ্গলে পাঠানো যাবে না, শস্যপ্রিয় হাতির পক্ষে রায় আদালতের]

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে এক যুবতীর বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি। বাঙালি বধূর সাজে বিয়ের পিঁড়িতে বসে রয়েছেন তিনি। কিন্তু আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু তিনি নন। বরং পাশের মহিলারা। তাঁরা কারা? বিয়ের আচার-রীতিতে তো কোনও পুরুষকেও দেখা যাচ্ছে না। আসলে ওই মহিলারাই বিয়ের সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছেন। চার মহিলা পুরোহিতের ভূমিকায় বিয়ের মন্ত্রোচ্চারণ করছেন। আর কন্যাদান? না কন্যাদান বলে এ বিয়েতে কিছু নেই। এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ছবিই পোস্ট করে লিখেছেন, “অত্যাধুনিক বিবাহ”। যেখানে বাবা কন্যাদান করতে রাজি হননি। কন্যাদান না করার কারণও প্রশংসা কুড়িয়েছে সকলের। কনের বাবা জানান, মেয়ে তাঁর সম্পত্তি নয়। যে তিনি তা দান করবেন। তাই কন্যাদানের মতো কোনও আচার পালন করা হয়নি এই বিয়েতে। এমন বিয়ে কে কটা দেখেছেন, তাতে সন্দেহ আছে।

Advertisement

[‘জুতো হাতে তোলা সেলফি ফটোশপের কারিকুরি’ অমিতাভের টুইটে বিতর্ক]

লেখক তসলিমা নাসরিনও কন্যাদানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মহিলাকে কেন পণ্য হিসেবে গণ্য করা হবে? মহিলারা যে পণ্য নয়, কন্যাদান না করে বাস্তবের মাটিতে সে কথাই প্রমাণ করল এই বিবাহ আসর। পোস্টটি থেকে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানের প্রধান পুরোহিতের নাম নন্দিনী ভৌমিক। যিনি আবার সংস্কৃতর অধ্যাপিকা। যাঁর মতে, কন্যাদানের মতো রেওয়াজ সমাজকে পিছিয়ে দেয়। তবে এই বিয়ে নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এ আবার কেমন বিয়ে? যেখানে ঠিকমতো বিয়ের নিয়মই পালন করা হচ্ছে না! যদিও বেশিরভাগ মানুষই এমন অভিনব উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, সমাজের তথাকথিত নিয়ম ভাঙতে সাহস দরকার। আর সেটাই করে দেখিয়েছে এই পরিবার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.