Advertisement
Advertisement
ভোট দ্বিতীয়া
West Bengal Assembly Election 2026

ইভিএম নিয়ে এত বিতর্ক, গণনা পর্ব শেষের পর কোথায় যায় ভোটযন্ত্রগুলি?

ভোটপর্ব মিটলেই কদর শেষ ইভিএমের, কতটা যত্নে রাখা হয় ইভিএমগুলিকে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৭:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৭:৫৮

options
link
ইভিএম নিয়ে এত বিতর্ক, গণনা পর্ব শেষের পর কোথায় যায় ভোটযন্ত্রগুলি? zoom
প্রতীকী ছবি।

গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বিতর্কিত বস্তুটির নাম ইভিএম। যা নিয়ে মাঝে মাঝেই বিতর্ক হয়। কেউ বলেন, ইভিএম কারচুপি হয়েছে। কেউ বলেন, হ্যাক হয়েছে। কেউ বলেন, স্ট্রংরুমে গিয়ে ইভিএমে ভোটের সংখ্যায় হেরফের করে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন যাবতীয় বিতর্কের মধ্যেও বরাবর আস্থা রেখেছে এই ইভিএমেই।

কিন্তু প্রশ্ন হল যে ইভিএম নিয়ে এত বিতর্ক ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) পর সেই ইভিএমের হয়টা কী? এমনিতে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হওয়ার পর থেকে ভোটের ফলপ্রকাশ পর্যন্ত চূড়ান্ত সতর্কতার মধ্যে রাখা হয় ইভিএমগুলিকে। সবসময় থাকে কড়া নিরাপত্তায়। ভোটের পর সিল করা হয় ইভিএমগুলিকে। সেখান থেকে স্ট্রং রুম। স্ট্রং-রুম থেকে যায় গণনাকেন্দ্রে। গণনা শেষ হলে ইভিএমগুলিকে ফের নিয়ে যাওয়া হয় ওই স্ট্রংরুমেই। সেখানে আগের মতোই সেগুলিকে সিল করে রাখা হয়। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, ভোটগণনার পর পরবর্তী ৪৫ দিনও একইরকম যত্নে রাখা হয় ইভিএমগুলিকে। কারণ ওই ৪৫ দিন পর্যন্ত যে কোনও প্রার্থী চাইলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানাতে পারেন। ৪৫ দিন পর আর সে সুযোগ থাকে না। এতদিন পর্যন্ত ইভিএমের কদর থাকে। কিন্তু ওই ৪৫ দিন মেটার পর পরবর্তী ভোট আসা পর্যন্ত ইভিএমগুলি অকেজো হয়ে পড়ে থাকে। যে যন্ত্র নিয়ে এত বিতর্ক, ‘কুলিং-অফ পিরিয়ডে’ সেই ইভিএমগুলিই পড়ে থাকে বড্ড অযত্নে।

ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) পর ইভিএমগুলি চলে যায় জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে। সেখানে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ট্রেজারিতে জমা করে রাখা থাকে। যে ঘরে রাখা থাকে সেই ঘরে গোটা দুই তালা লাগানো হয়। ঘরের ভিতরে থাকে সিসিটিভি। বাইরে মোতায়েন থাকে গোটা দুই পুলিশ। এই সময় বেশ কয়েক দফায় ইভিএম চেকিংও করা হয়। ভোট এলেই সেগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন বিধানসভার নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে। ভোট ঘোষণার পর ইভিএমগুলি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হাজির না থাকলে সেক্ষেত্রে তাদের দলীয় কার্যালয়ে পাঠানো হবে ইভিএম। দলীয় কার্যালয় থেকে পরীক্ষা করানোর পর ইভিএমগুলি যায় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে। আবারও বেনজির নিরাপত্তায় সেগুলি রাখা হয় জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.