Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
West Bengal Election 2026

ভোট পেতে মরিয়া, এবার সাধারণ মানুষের বাড়িতে জল খেয়ে জনসংযোগ বঙ্গ বিজেপির!

ভিন্ন কৌশল গেরুয়া শিবিরের। রাজপথ দিয়ে মিছিল নিয়ে যাওয়া নয়, গ্রামের অলিগলিতে ঢুকে ভোটারদের সঙ্গে মিশে গিয়ে বোঝাতে হবে পরিবর্তন যাত্রার লক্ষ্য। দিল্লির নেতাদের এমনই বার্তা রাজ্য নেতৃত্বকে। গ্রামের বাড়িতে ঢুকে জল খেতে চেয়ে গল্পের ছলে বিজেপির কথা বলা, ভোটারদের কথা শোনা।

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৭:১৬

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৭:১৬

options
link
ভোট পেতে মরিয়া, এবার সাধারণ মানুষের বাড়িতে জল খেয়ে জনসংযোগ বঙ্গ বিজেপির! zoom
জল খেয়ে জনসংযোগ বঙ্গ বিজেপির। ছবি-এআই

ভিন্ন কৌশল গেরুয়া শিবিরের। রাজপথ দিয়ে মিছিল নিয়ে যাওয়া নয়, গ্রামের অলিগলিতে ঢুকে ভোটারদের সঙ্গে মিশে গিয়ে বোঝাতে হবে পরিবর্তন যাত্রার লক্ষ্য। দিল্লির নেতাদের এমনই বার্তা রাজ্য নেতৃত্বকে। গ্রামের বাড়িতে ঢুকে জল খেতে চেয়ে গল্পের ছলে বিজেপির কথা বলা, ভোটারদের কথা শোনা। শুধু লিফলেট হাতে ধরিয়ে কোনও লাভ নেই। কিছুটা আগের সেই সিপিএমের কৌশল। সেরকমই আপাতত বঙ্গ বিজেপি নেতাদের জনসংযোগে নতুন হোম টাস্ক দিল্লির।

শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ায় গোপনে দেড় লক্ষ মিটিং হয়ে গিয়েছে। নয় জায়গা থেকে পরিবর্তন যাত্রার রথ চলছে বিজেপির। ৫ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে এই রথ। ২৫০ বিধানসভা ছুঁয়ে যাচ্ছে এই পরিবর্তন যাত্রা। ৩০০ টিরও বেশি ছোট সভা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নেতাদের এবং দলের জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগের ক্ষেত্রেও একাধিক হোমটাস্ক দিয়েছে দিল্লি। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথ ঘুরতে বলা হয়েছে। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হওয়া। পাড়া বা গ্রামের মানুষদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বোঝাতে হবে বিজেপি এলে কী কী কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা তারা পাবে। সেই গ্রামে গিয়ে পরিচিত মন্দিরেও পুজো দিতে বলা হয়েছে নেতাদের।

Advertisement

এবার আমজনতার পরামর্শ নিয়েই ইস্তেহার করছে বঙ্গ বিজেপি। সেই নির্বাচনী ইস্তেহার কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেই বিষয়ে সরাসরি জনতার মতামত নিতে বাক্স ও ফর্মের ব্যবস্থাও আছে। এবার ইস্তাহারে এক নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। ইস্তাহারে বা সংকল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক প্রতিশ্রুতি বা পরিকল্পনা থাকবে না। এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের প্রতিশ্রুতিও থাকবে। তাই বুথে বুথে স্থানীয়দের থেকেও তাদের এলাকায় চাহিদা ও সমস্যার কথা শোনা হচ্ছে। কিন্তু বিধানসভা ভোট হতে আর মাস দেড়েক বাকি। এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে কী লাভ?

এখানেই প্রশ্ন, পরীক্ষা যখন দোড়গোড়ায়, তখন পড়াশোনা কেন? দলের বুথ সংগঠন ভীষণভাবে দুর্বল। তাহলে তিন বছর ধরে এই হোমটাস্ক কেন দেওয়া হয়নি? শেষ মুহূর্তে নিচুতলার দুর্বল সংগঠন নিয়ে এই জনসংযোগ কৌশল ভোট বাক্সে কতটা লাভ দেবে তা নিয়ে অবশ্য পদ্ম শিবিরের মধ্যেও সংশয় থেকে যাচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.