দিদি বসুন্ধরা গোস্বামী তৃণমূল কাউন্সিলর। প্রয়াত প্রাক্তন বাম আমলের মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামী ছোট কন্যা কস্তুরী গোস্বামী নাম লেখালেন বিজেপিতে (BJP)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন (WB Assembly Election) বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। ‘দুর্বল’ সংগঠনকে মেরামত করে বিরোধীদের ঠেকাতে তৎপর দলীয় নেতা-কর্মীরা। ভোটের মুখে মঙ্গলবারের এই যোগদান যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মৃত্যু হয়। তারপরই ক্ষিতিকন্যা বসুন্ধরার তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা ছড়ায়। ২০২১ সালের কলকাতা পুরভোটের আগে কারাদপ্তরের চাকরি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন বসুন্ধরা। ভোটে টিকিট পান। ৯৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী হন। বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। এবার ক্ষিতি তনয়া কস্তুরীও রাজনৈতিক ইনিংস শুরু করলেন। নাম লেখালেন গেরুয়া শিবিরে।
আরও পড়ুন:
এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও শংকর ঘোষের উপস্থিতিতে বিজেপিতে চলে বিশিষ্টদের যোগদান পর্ব। ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী গেরুয়া শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন। তিনি আইনের ছাত্রী ছিলেন। বলে রাখা ভালো, ক্ষিতি গোস্বামী আরএসপি নেতা ছিলেন। তবে তাঁর স্ত্রী-মেয়ের কোনওদিনই দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল না। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ক্ষিতি গোস্বামীর স্ত্রী মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন হন। এরপর ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মৃত্যু হয়। তারপরই ক্ষিতিকন্যা বসুন্ধরার তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা ছড়ায়। ২০২১ সালের কলকাতা পুরভোটের আগে কারাদপ্তরের চাকরি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন বসুন্ধরা। ভোটে টিকিট পান। ৯৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী হন। বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। এবার ক্ষিতি তনয়া কস্তুরীও রাজনৈতিক ইনিংস শুরু করলেন। নাম লেখালেন গেরুয়া শিবিরে। এছাড়া এদিন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী, প্রাক্তন সিআরপিএফ কর্তা বিপ্লব বিশ্বাস এবং শিল্পোদ্যোগী ডঃ অক্ষয় বিঞ্জেরকাও যোগ দেন বিজেপিতে।

যোগদানের পর ‘আঁধারের কত কথা’ নামে একটি বই প্রকাশ করা হয়। বিজেপি নেতাদের দাবি, এই বইয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি, রাজনৈতিক হিংসা সম্পর্কিত নানা তথ্য এই বইতে রয়েছে। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত সেই ঘটনাগুলি জনগণের সামনে তুলে ধরাই লক্ষ্য গেরুয়া শিবিরের।

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনের একেবারে শেষ পর্বে ‘আত্মবিশ্বাসী’ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বা এসআইআর কিছু হোক আর না হোক। ইডি, সিবিআই অফিস বন্ধ করে দিক। তাও বিজেপি আসবে। তৃণমূল হারবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধু দোকান কেন, খাট-বিছানা নিয়ে আসুন’, ল্যান্সডাউন মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ধমক, ২ দিনের ‘ডেডলাইন’ অগ্নিমিত্রার
-
‘পাকিস্তানি হিন্দুদের সহ্য করি’, পাক প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘অসংবেদশীল’ কটাক্ষ জাভেদ আখতারের
-
সাভারকর মন্তব্যে রাহুলের বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ মামলা, গবেষককে জরিমানা করল আদালত
-
আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্যের পর এবার ডুরান্ডের যুদ্ধ, আর্মিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল
-
রাজসাক্ষী হতে চেয়েও রেহাই নেই! জয় কামদারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ
নিবেদিত


