Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

সিপিএমকে চাপে রাখছে আইএসএফও! সেলিমদের ‘ঢিলেমি’তে ক্ষুব্ধ নওশাদ এককভাবে প্রার্থী ঘোষণার পথে

আগামী সপ্তাহে কয়েকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে আইএসএফ। এদিকে, বামফ্রন্টেও আসন-জট অব্যাহত। ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি-র দাবিমতো আসন ছাড়তে নারাজ সিপিএম।

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৩:১৫

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৩:১৫

options
link
সিপিএমকে চাপে রাখছে আইএসএফও! সেলিমদের ‘ঢিলেমি’তে ক্ষুব্ধ নওশাদ এককভাবে প্রার্থী ঘোষণার পথে zoom
সিপিএমকে চাপে ফেলে আগামী সপ্তাহে এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে আইএসএফ। ফাইল ছবি

ভোটের (West Bengal Assembly Election) মুখে আসন বণ্টন নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে জটিলতা বাড়ছে। আইএসএফ-কে কত আসন দেওয়া হবে তা নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বামফ্রন্টে। ফলে আসন বণ্টন নিয়ে একদিকে শরিকদের মধ্যে ক্ষোভ, অন্যদিকে আসন ছাড়া নিয়ে বামফ্রন্টের তরফে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় বামেদের জন্য আসন ছেড়ে নিজেদের পছন্দের আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিতে পারে নওশাদ সিদ্দিকির দল। চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করে কয়েকটি আসনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করার বার্তা দিয়েছে আইএসএফ।

সূত্রের খবর, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিম দুটি আসনেই আইএসএফ (ISF) প্রার্থী দিচ্ছে। ভাঙড়ে নওশাদ (Naushad Siddiqui) নিজেই সম্ভবত প্রার্থী হচ্ছেন। সব মিলিয়ে, আগামী সপ্তাহে আইএসএফ প্রার্থী ঘোষণার প্রস্তুত কার্যত সিপিএমকেই চাপে ফেলে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বামফ্রন্টের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষুব্ধ ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি। কংগ্রেস জোটে না আসায় একুশের নির্বাচনের থেকে এবার কিছু আসন বেশি দাবি করছে শরিকরা। ফরওয়ার্ড ব্লক এখনও পর্যন্ত ৩০টি আসনের দাবি রেখেছে। সূত্রের খবর, সেটা কমবেশি ২৫টি হলেও তারা রাজি। কিন্তু সিপিএমের (CPM) তরফে ফরওয়ার্ড ব্লককে বলা হয়েছে, খুব বেশি হলে গোটা ১৫ আসন দেওয়া যেতে পারে। আর তাতেই ক্ষুব্ধ নরেন চট্টোপাধ্যায়রা। ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর (Biman Bose) সঙ্গে ফরওয়ার্ড ব্লকের আর কোনও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা এখনও পর্যন্ত নেই।

Advertisement

আসন ছাড়া নিয়ে বামফ্রন্টের তরফে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় বামেদের জন্য আসন ছেড়ে নিজেদের পছন্দের আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিতে পারে নওশাদ সিদ্দিকির দল। সূত্রের খবর, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিম দুটি আসনেই আইএসএফ প্রার্থী দিচ্ছে। ভাঙড়ে নওশাদ নিজেই সম্ভবত প্রার্থী হচ্ছেন। 

এদিকে আগে আরএসপি ২৩টি আসনে লড়াই করত। গত বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে জোট থাকায় তারা ১১ আসনে লড়েছিল। এবার কেন্দ্র বেছে ১৯টি আসনে লড়াইয়ের কথা বিমান বসুকে জানিয়েছে আরএসপি। সিপিএম ১৯টি আসন ছাড়তে নারাজ, পাশাপাশি কিছু আসন পরিবর্তন করার কথাও বলা হচ্ছে। ফলে আরএসপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জট অব্যাহত। ফের ১৬ ফেব্রুয়ারি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। তবে আরএসপির রাজ্য সম্পাদক তপন হোড় আশাবাদী যে এই সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে মিটে যাবে।

সিপিআই ২০টি আসন চেয়েছে। সেটা নিয়ে সিপিএমের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত কোনও জটিলতা নেই। এদিকে এ প্রসঙ্গে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, “বামফ্রন্ট একটা ধারাবাহিকতা। নির্বাচনকে সামনে রেখে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা চলছে। নির্দিষ্ট সময়েই বর্ধিত ফ্রন্টের তালিকা প্রকাশ করতে পারব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.