রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রথযাত্রার অনুমতি না পেলেও, এই কর্মসূচী হবেই! আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা৷ তাঁরা কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্য প্রশাসনের দিকে৷ এবার আন্দোলনের সেই ঝাঁজ দ্বিগুণ করতে চলেছে গেরুয়া শিবির৷ উনিশের আগে রাজ্যে জমি শক্ত করতে এবং কৃষকদরদি ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছে রাজ্য বিজেপি৷
[বাঁশি গিলে বিপত্তি! শিশুর প্রাণ বাঁচালেন মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা]
আগামী ২০ নভেম্বর হবে এই অভিযান৷ আয়োজকের ভূমিকায় থাকছে রাজ্য বিজেপির কিষাণ মোর্চা৷ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের৷ কোনও কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত থাকবেন কিনা সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি৷ তবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের জমা সমাগম যাতে হয়, সেই নিশ্চিত করাতে চাইছেন রাজ্য নেতারা৷ রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, মিছিলে বিপুল সংখ্যক সমর্থক আনার জন্য বিভিন্ন জেলা নেতৃত্বের কাছে নির্দেশ পাঠান হয়েছে৷ পাশাপাশি, রাজ্যের সমস্ত নেতাদেরও সাধ্য মতো উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে৷ আগামী ১৬ নভেম্বর শুরু হচ্ছে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন৷ সেই কারণেই ২০ নভেম্বর তারিখটি বিধানসভা অভিযানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ তবে আদৌ এই অভিযানের অনুমতি মিলবে নাকি তা নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছে রাজ্য বিজেপির-ই একাংশ৷ কিন্তু এত সহজে যে তাঁরা হাল ছাড়ছেন তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কিষাণ মোর্চার সভাপতি রামকৃষ্ণ পাল৷ তিনি জানিয়েছেন যে, অনুমতি না পেলেও বিধানসভা অভিযান হবেই এবং যেখানে পুলিশ অভিযানকে আটকাবে, সেখানে বসেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করবেন কর্মীরা৷ দলীয় সূত্রে খবর, আন্দোলনের মূল বিষয় হবে কৃষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় করা৷ পাশাপাশি, লোকসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্য বিজেপি নেতারা অন্যান্য ইস্যুতেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হবেন৷
[‘নেতা হওয়া নয় মুখের কথা’! প্রিয়রঞ্জনের জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট সোমেনের]
লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে প্রায় ২০টি আসনকে টার্গেট করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব৷ সেই লক্ষ্যে সমগ্র রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির৷ সেজন্য আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে রথযাত্রা কর্মসূচি শুরু করবে বিজেপি৷ তারাপীঠ, কোচবিহার ও সাগর থেকে শুরু হবে রথযাত্রা৷ উপস্থিত থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল৷ বিজেপি সূত্রে খবর, ৫ ডিসেম্বর তারাপীঠ থেকে এই কর্মসূচির সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ এরপর ৭ ডিসেম্বর কোচবিহার ও ৯ ডিসেম্বর সাগর থেকে রথযাত্রার সূচনা করবেন তিনি৷ এরপরই আগামী বছর ২৯ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্রিগেডে বড় জনসভার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির৷ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপির এই পরপর কর্মসূচি থেকেই স্পষ্ট যে, লোকসভার আগে মমতা সরকারকে চাপে রাখাই তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য৷
সর্বশেষ খবর
-
বৃদ্ধের খাবারে ঘুমের ওষুধের কড়া ডোজ, আলমারি ‘সাফ’ করে গায়েব পরিচারিকা!
-
পরিবর্তনের দুর্গোৎসবে শুধু ‘বড়’ নয়, ‘ছোট’দের পুজোর উদ্বোধনেও মুখ্যমন্ত্রী, তৈরি হচ্ছে তালিকা
-
কলকাতায় বিশ্বকাপারদের হ্যাটট্রিক! ব্রাজিল-উরুগুয়ের পর ফের বিদেশি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত
-
কলকাতার বধূকে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশে পাচার! অবশেষে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরলেন মধুমিতা
-
৪ নেতাকে সাসপেন্ড, এক্তিয়ার মনে করিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সভানেত্রীকে শোকজ করল বিজেপি!