Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
West Bengal Budget 2026

পিপিপি মডেলে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর, বাজেটে প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর

বীরভূমে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর ৪ লেনের ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্তের কথাও ঘোষণা করা হয় বাজেটে। 

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৪:৫৮

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৪:৫৮

options
link
পিপিপি মডেলে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর, বাজেটে প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর zoom
দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির প্রস্তাব বাজেটে।

তাজপুর নয়, দাদনপাত্রবাড়ে হবে গভীর সমুদ্রবন্দর। নতুন সরকার গঠনের পরেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ল বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটে (West Bengal Budget 2026)। দাদনপাত্রবাড়ে পিপিস মডেলে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta)। বীরভূমে ময়ূরাক্ষী নদের উপর ৪ লেনের ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্তের কথাও ঘোষণা করা হয় বাজেটে। 

অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা, দাদনপাত্রবাড়ে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে একটি আধুনিক গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে একটি গভীর সমুদ্রবন্দরের দাবি ছিল। রাজ্যের উপকূলীয় বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি ও শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বন্দর চালু হলে পূর্ব ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যে পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে ও বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশাবাদী সরকার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্য সরকারের পালাবদলের পর এই বিষয়ে নজর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এনিয়ে করণ আদানির সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। সেই আলোচনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, জমি না থাকার ফলে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। বিকল্প হিসাবে দাদনপত্রবাড়ে হতে পারে গভীর সমুদ্রবন্দর।

পূর্বতন রাজ্য সরকারের আমল থেকেই শোনা গিয়েছিল তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হবে। তার ফলে বদলে যাবে তাজপুরের চেহারা। বাড়বে কর্মসংস্থান। তবে সে প্রকল্প আজও বাস্তবায়িত হয়নি। রাজ্য সরকারের পালাবদলের পর এই বিষয়ে নজর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এনিয়ে করণ আদানির সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। সেই আলোচনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, জমি না থাকার ফলে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। বিকল্প হিসাবে দাদনপত্রবাড়ে হতে পারে গভীর সমুদ্রবন্দর।

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুরে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রিনফিল্ড প্রযুক্তিতে বন্দর তৈরি হওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছিল পূর্বতন রাজ্য সরকার। এর পরিকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ হওয়ার কথা ছিল আরও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদানিদের এই প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক আগ্রহপত্র বা লেটার অফ ইনটেন্ট তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর আদানি গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার করণ আদানির হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরপর একাধিকবার এই গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধে। কাজেও সেভাবে অগ্রগতি আসেনি।

যদিও পূর্বতন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কখনওই বলা হয়নি যে আদানি গোষ্ঠী এই বন্দর প্রকল্প থেকে সরে গিয়েছে। তবে শোনা গিয়েছিল, তাজপুর বন্দর নির্মাণের দরপত্রে সর্বোচ্চ দর হাঁকা APSEZ (আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকনমিক জোন) সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বিদেশ ও জাহাজ মন্ত্রকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র চাওয়া হয়েছিল। শোনা যায়, সেই সময় সামগ্রিকভাবে সমস্ত শর্তপূরণ করতে পারেনি আদানি গোষ্ঠী। তাই ছাড়পত্রও মেলেনি। সেই কারণে শেষপর্যন্ত এই প্রকল্প আর আদানিদের হাতে রাখেনি পূর্বতন সরকার। ক্ষমতা বদলের পর সেই তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়টি বাজেটে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি বাজেটে বীরভূম জেলার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছে। ময়ূরাক্ষী নদীর উপর চার লেনের একটি আধুনিক সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকার মধ্যে যোগাযোগ আরও দ্রুত হবে। পাশাপাশি কৃষি, ব্যবসা ও পর্যটনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে প্রশাসন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.