Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মমতা-ধনকড়

‘আসুন, কফি খেতে খেতে কথা বলি’, মমতাকে কফি হাউসে একান্তে আলোচনার প্রস্তাব রাজ্যপালের

ধনকড়ের টুইট নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:১৪

options
link
‘আসুন, কফি খেতে খেতে কথা বলি’, মমতাকে কফি হাউসে একান্তে আলোচনার প্রস্তাব রাজ্যপালের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা…’। আড্ডা-আলোচনাটা চলতেই পারে, খাস কফি হাউসে বসে, কফির কাপ হাতে। এভাবেই না হয় শুরু হোক বন্ধুত্ব, হাতে হাত ধরে এগিয়ে চলা। এই পর্যন্ত গল্পটা একরকম। কিন্তু যে দু’জন কফির আড্ডায় শামিল হবেন, তাঁরা তো সাধারণ কেউ নন। তাই কফি হাউসের নস্ট্যালজিয়া তাঁদের কতটা ছুঁতে পারবে, সে বিষয়ে নিন্দুকরা ইতিমধ্যেই ফিসফাস শুরু করে দিয়েছেন। চায়ে-পে-চর্চার সঙ্গে যিনি অধিক পরিচিত, সেই ধনকড় এবার চর্চা চান কফি সহযোগে।

আজ সকালে কফি হাউসের এক অনুষ্ঠানে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছেন রাজ্যপাল। আর সেই মুগ্ধতা থেকে তিনি খোলা প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বলেছেন, ”কফি হাউসের এই কফি খেতে খেতে আমার এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে আলোচনা চলতেই পারে। রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করব।” রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের এই টুইট দেখে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর কফির আমন্ত্রণে আদৌ কি সাড়া দেবেন মমতা?

Advertisement

রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের পদে বসার পর থেকেই জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্ক বেশ তিক্ত। কদাচিৎ কোনও কারণে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর সামান্য প্রশংসা করলেও, তার রেশ একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। বাস্তবে দেখা গিয়েছে, বহুবারই ঠিক তার পরেরদিনই হয়ত কোনও একটি বিশেষ ইস্যু নিয়ে কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীও অবশ্য সৌজন্যের কোনও কার্পণ্য করেন না। যেখানেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা হয়, প্রোটোকল মেনে হাসিমুখে স্বাগত জানান। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে ভাইফোঁটা নেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করা ধনকড়কে তিনি কালীপুজোয় নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আপ্যায়ণের কোনও ত্রুটি হয়নি। যা দেখে রাজ্যপাল নিজেও বেশ খুশি হয়েছিলেন। এভাবে একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হলেও, তা এগোতে পারেনি। ফের তা তিক্ততায় পর্যবসিত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র খিদিরপুর, বাসে আগুন-পালটা লাঠিচার্জ পুলিশের]

বারবার এই অম্ল-মধুর সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হলেও, সুসম্পর্ক তৈরির চেষ্টা কিন্তু চালিয়েই গিয়েছেন। বারবারই তিনি খোলা রেখেছেন আলোচনার রাস্তা। যেমন রাখলেন এবারও। তবে এবারের আমন্ত্রণটি একেবারেই বিশেষ। রাজভবন কিংবা অন্য কোনও প্রশাসনিক স্থান ছাড়া কফি হাউসের খোলামেলা আবহে ধনকড় মমতাকে ডাকলেন আলোচনার টেবিলে। জানালেন, কফি খেতে খেতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করতে পারলে, তাঁর ভালই লাগবে। বিশেষত কফি হাউসের কফি সুগন্ধ আর সুস্বাদ, তাঁর বেশ মনে ধরেছে। সেই স্বাদ তিনি ভাগ করে নিতে চান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এও কি কম বন্ধুত্বের বার্তা? মোটেই না। সেই ডাকে সাড়া মুখ্যমন্ত্রীও কি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেবেন? এই উত্তরের অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে আমজনতা, সকলেই।

[আরও পড়ুন: সাড়া নেই রেলের, ১৮ জানুয়ারি টালা ব্রিজ ভাঙতে শুরু করবে রাজ্য]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.