Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, পুজোয় টানা ১৬ দিন ছুটির সুযোগ

একটি ক্যাজুয়াল লিভ ম্যানেজ করতে পারলেই কেল্লাফতে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৮, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৮, ১৬:১৬

options
link
সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, পুজোয় টানা ১৬ দিন ছুটির সুযোগ zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বলা যায় বাম্পার অফার। বাম্পারই তো বটে। পুজোর মরশুমে টানা ১৬ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ তো আর যাতা ব্যাপার নয়। সাধারণত স্কুল-কলেজ উৎসবের মরশুমে টানা বন্ধ থাকে। টানা ছুটি পান শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা। কিন্তু অফিস-কাছারিতে কর্মরত সরকারি কর্মীরাও এত দিন টানা ছুটির সুযোগ পান না। কিন্তু এবার তেমনটাই হতে চলেছে। শুধু একটি সিএল ম্যানেজ করতে পারলেই টানা ১৬ দিন ছুটি মিলবে উৎসবের মধ্যে।

[শহরের স্কুলে তিন ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহ, অভিযুক্ত শিক্ষককে বেধড়ক মারধর]

পুজোর উৎসবে টানা দু’সপ্তাহ ধরে ছুটির আমেজ উপভোগ করতে পারবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। একটা ক্যাজুয়াল লিভ মেরে দিতে পারলেই ১৬ দিন অফিসমুখো হতে হবে না তাঁদের। ১২ তারিখ অফিস হয়ে ছুটি পড়ছে। সরকারিভাবে পুজোর ছুটি শুরু হচ্ছে ১৫ অক্টোবর। তার মাঝে ১৩ ও ১৪, শনিবার ও রবিবার। ফলে অফিস বন্ধ। ১৫ থেকে ১৯, ষষ্ঠী থেকে দশমী। ২০, ২১ শনি ও রবিবার। ২২ ও ২৩ তারিখ দুর্গাপুজোর উৎসবের আমেজ উপভোগ করা, বিজয়া সম্মিলনীর জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে। ২৪ তারিখ লক্ষ্মীপুজো। পঞ্জিকামতে পরদিনও কোজাগরী তিথি রয়েছে। ফলে ২৫ তারিখ বৃহস্পতিবারও ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য। ২৬ অক্টোবর, শুক্রবার অফিস খুলছে। এইদিন যদি ক্যাজুয়াল লিভ মেরে দেওয়া যায়, তো ফের টানা তিনদিন অফিসের পথ মাড়াতে হবে না। কেন না, তারপর রয়েছে শনি ও রবিবার। দু’দিন ছুটি। তা পার করে সেই সোমবার ২৯ তারিখ হাজিরা খাতায় সই করলেই হল।

Advertisement

[পাঠকদের সামনে নাৎসি জার্মানির জন্ম-মৃত্যু তুলে ধরলেন ঘরবন্দি বুদ্ধ]

একেবারে ১৩ থেকে ২৮ অক্টোবর, ১৬ দিনের অবসরযাপন। যে পথে হাঁটতে চলেছেন অনেক কর্মী। তাই নবান্নের একটি সূত্র জানাচ্ছে, সরকারিভাবে শুক্রবার অফিস খোলার কথা বলা হলেও খুব বেশি কর্মী উপস্থিত হবেন না। পুজোর গন্ধ কাটিয়ে, বেড়ানোর আনন্দ উপভোগ করে আসবেন সেই ২৯ তারিখ। এমনিতেই মহালয়া থেকেই পুজোর হুল্লোড়ে মেতে ওঠে বাঙালি। তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজোর উদ্বোধন। এবার যেভাবে ছুটি পড়েছে, তাতে সরকারি কর্মীদের উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেল। ফলে পায়ের তলায় সরষে রাখা বাঙালি বেড়াতে বেরিয়ে পড়বে তাতে আর সন্দেহ কী? তা ছাড়া, ছুটির বিন্যাস এমন, যে দুর্গা ও লক্ষ্মীপুজো বাড়িতে থেকে উপভোগ করেও দিন চারেকের জন্য অনায়াসে ধারেকাছে ঘুরে আসা যেতে পারে। এবার দার্জিলিং পুরোপুরি শান্ত। সেখানে পা রাখায় জো নেই। চির পছন্দের পুরী, দিঘা, মন্দারমণি, তারাপীঠ, বকখালিতে হোটেল পাওয়ার প্রশ্নই নেই। তবে বেসরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে ছুটির বহর অনেকটাই কম। যেহেতু ষষ্ঠী সোমবার পড়েছে, তাই রবিবার থেকে ছুটি শুরু হচ্ছে। খুলছে সেই পরের সোমবার। টানা আটদিন। মন্দের ভাল তো বটেই। তাই উৎসবের মুখে টানা ছুটির আনন্দ ভাসিয়ে দিচ্ছে বাঙালিকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.