Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
special inspection team

সংক্রমণ রুখতে তিন জেলায় বিশেষ নজরদারি দল গঠন স্বাস্থ্য দপ্তরের

রাজ্যবাসীকে এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে সবরকমের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২০, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২০, ১৫:২৯

options
link
সংক্রমণ রুখতে তিন জেলায় বিশেষ নজরদারি দল গঠন স্বাস্থ্য দপ্তরের zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: করোনাসুরের তাণ্ডবে আতঙ্কিত রাজ্যবাসী। লকডাউনের মাঝে প্রতিদিনই বাড়ছে কনটেনমেন্ট (Containment zone) জোনের সংখ্যা। যা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের শীর্ষকর্তাদের মনে। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলির অবস্থা প্রতিদিনই খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিন জেলাতে নজরদারি চালানোর জন্য কমিউনিটি মেডিসিনের অধ্যাপক চিকিৎসকদের নিয়ে তিনটি দল তৈরি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা ও হুগলিতে নজরদারি চালানো ও সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে মোট ১২ জন চিকিৎসককে নিয়ে এই দল গঠিত হয়েছে। তিনটি জেলায় চারজন করে অধ্যাপক চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা ফিল্ড নেমে কাজ করা স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনার সংক্রমণ রুখতে পরামর্শ দেবেন। তাঁদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও করোনার উপসর্গ সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি কনটেনমেন্ট জোনগুলিতেও পরিদর্শন চালাবেন। তিনটি জেলার অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হওয়া জায়গাগুলির মানুষ সম্পর্কে খোঁজ নেবেন। আক্রান্ত ও কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য ভবনকে রিপোর্ট করবেন। করোনার সংক্রমণ রুখতে এই প্রথম রাজ্যে এই ধরনের কোনও কমিটি বা দল গঠন করা হল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ! কলকাতায় একধাক্কায় বাড়ল ১২টি কনটেনমেন্ট জোন ]

সূত্রের খবর , ওই নজরদারি দলের সদস্যরা কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে পরিদর্শন করে সেখানে কীভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা খতিয়ে দেখবেন। ইতিমধ্যে কারা আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাঁদের জন্য কারা করোনার প্রকোপে পড়তে পারেন সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখবেন। কীভাবে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যেতে পারে। কিংবা কোন বিষয়গুলিতে নজর রাখতে হবে তা নিয়ে তিনটি জেলার স্বাস্থ্যকর্মীদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যদপ্তরকেও জানাবেন। এই জেলাগুলির অত্যন্ত সংক্রমিত এলাকা ও কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউনের বিধিনিষেধ আরও বাড়ানো যায় কিনা সেই বিষয়েও আলোকপাত করবেন।

[আরও পড়ুন: আত্মতুষ্টি নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির বিরুদ্ধে ঝাঁজালো প্রচারের বার্তা তৃণমূলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.