Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
West Bengal Medical Council

‘কাজকর্মে বাধা’, সরকারি ৪ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল

ওই ৪ সিনিয়র চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৫, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৫, ২০:১৭

options
link
‘কাজকর্মে বাধা’, সরকারি ৪ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসফাকুল্লা নাইয়া, কিঞ্জল নন্দের পর রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্ক্যানারে সিনিয়র চার চিকিৎসক। সুবর্ণ গোস্বামী, উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, রঞ্জন ভট্টাচার্য, মানস গুমটার বিরুদ্ধে বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওই চারজনের বিরুদ্ধে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই চার চিকিৎসক আর জি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 

রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের এই পদক্ষেপের স্বাভাবিকভাবেই নিন্দা করেছেন উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাই রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল এই অভিযোগ করছে বলেই দাবি সিনিয়র চিকিৎসকের। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “যখন ধরা পড়ে গিয়েছে। সকলে বুঝে গিয়েছে। তখন যত দোষ, নন্দ ঘোষ। তাই ধামাচাপা দিতে এসব করছে। সরকার এই চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হবে না।”

Advertisement

 এর আগে আসফাকুল্লা নাইয়ার বিরুদ্ধে ডিগ্রি ভাঁড়িয়ে প্রাইভেটে চিকিৎসা করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশি তদন্তের মুখে পড়েন তিনি। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও করে পুলিশ। নোটিস পাঠিয়ে আসফাকুল্লাকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে তলবও করা হয়। ধারাবাহিক এই ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আসফাকুল্লা। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

শনিবার কিঞ্জল নন্দের সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্যের খোঁজে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। কিঞ্জলের বিরুদ্ধে ‘কর্তব্যে গাফিলতি’র অভিযোগ উঠেছে। পিজিটিরা তুলনামূলক কম ছুটি পান। সেক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের দায়িত্ব সামলে কীভাবে বিজ্ঞাপন ও সিনেমায় শুটিং করার সুযোগ পেলেন, সে বিষয়টি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্ক্যানারে। এই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। ওই চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে, “পিজিটি হিসাবে কিঞ্জলের আদৌ ৮০ শতাংশ উপস্থিতি আছে? কতদিন ছুটি নিয়েছেন? পিজিটি হিসাবে কত স্টাইপেন্ড তুলেছেন? বিজ্ঞাপন, সিনেমায় অভিনয় করেন কিঞ্জল নন্দ। সেক্ষেত্রে কীভাবে কাজ সামলে শুটিং করলেন? শুটিংয়ের জন্য এনওসি নিয়েছিলেন?” এই সংক্রান্ত প্রশ্নের তথ্য আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষকে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে জানাতে হবে। এবার রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্ক্যানারে চার সিনিয়র চিকিৎসক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.