Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
State legislative council

মমতার প্রস্তাবিত বিধান পরিষদ কী? কীভাবে কাজ করে? জেনে নিন খুঁটিনাটি

ইতিমধ্যেই রাজ্যে বিধান পরিষদ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২১, ১৪:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২১, ১৪:৪৬

options
link
মমতার প্রস্তাবিত বিধান পরিষদ কী? কীভাবে কাজ করে? জেনে নিন খুঁটিনাটি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় ফিরলে বিধান পরিষদ (Bidhan Parishad) গঠন করবেন। বিধানসভায় যাদের যাদের টিকিট দেওয়া যায়নি, তাঁদের বিধান পরিষদের সদস্য করা হবে। নিজের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যে বিধান পরিষদ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করলেন তিনি।

কী এই বিধান পরিষদ?
দেশের সংসদে যেমন লোকসভা (Lok Sabha) এবং রাজ্যসভা দুটি কক্ষ থাকে, তেমনি রাজ্য আইনসভাতেও দুই কক্ষের নিয়ম আছে সংবিধানে। আইনসভার নিম্নকক্ষ বিধানসভা এবং উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ হিসেবে পরিচিত। তবে, এই বিধান পরিষদ রাজ্য সরকারগুলি চাইলে অবলুপ্ত করতে পারে, আবার তৈরিও করতে পারে। সেক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধন জরুরি। এই মুহূর্তে দেশের ছটি রাজ্যে বিধান পরিষদ আছে। সেগুলি হল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ। বাংলাতেও ১৯৫২ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত বিধান পরিষদ ছিল। ১৯৬৯ সালে বাংলা কংগ্রেস এবং যুক্ত ফ্রন্টের সরকার তা বাতিল করে।

Advertisement

বিধান পরিষদের সদস্য সংখ্যা:
নিয়ম অনুযায়ী বিধান পরিষদের (State legislative council) সদস্য হয় ওই রাজ্যের বিধানসভার ১ তৃতীয়াংশ পর্যন্ত। তবে তা কোনওভাবেই ৪০-এর নিচে হবে না। অর্থাৎ, বাংলার ক্ষেত্রে তা ৪০ থেকে ৯১ পর্যন্ত হতে পারে। বিধান পরিষদের সদস্যদের মেয়াদ ৬ বছর। তবে, প্রতি দু’বছর পর এক তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর নেবেন।

কীভাবে সদস্য নির্বাচন?

  • এক তৃতীয়াংশ সদস্য নির্বাচন করেন রাজ্যের বিধায়করা।
  • এক তৃতীয়াংশ সদস্য নির্বাচন করা হয় পঞ্চায়েত, পুরসভা, পুরনিগমের মতো স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার মাধ্যমে।
  • এক ষষ্ঠাংশ সদস্য নির্বাচিত হন রাজ্যের স্নাতকদের ভোটের মাধ্যমে। স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি ভোটারদের ওই রাজ্যে ৩ বছরের বেশি বসবাস করতে হয়।
  • বাকি এক ষষ্ঠাংশ নির্বাচিত হবেন শিক্ষকদের ভোটে। শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি ভোটারদের ওই রাজ্যে ৩ বছরের বেশি বসবাস করতে হয়।
  • বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান পান ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা।

কীভাবে তৈরি হবে বাংলার বিধান পরিষদ?

রাজ্য মন্ত্রিসভায় ইতিমধ্যেই বিধান পরিষদ তৈরির প্রস্তাব পাশ হয়ে গিয়েছে। যার অর্থ বিধানসভার উচ্চকক্ষ তৈরির ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার এই প্রস্তাব যাবে বিধানসভায়। সেখানে বিধান পরিষদ তৈরির প্রস্তাব পাশ হলে তা যাবে রাজ্যপালের কাছে। রাজ্যপালের অনুমোদন পেলে সংসদ ভবনে এই প্রস্তাব পাঠানো হবে। কারণ কোনও রাজ্যে বিধান পরিষদ গঠন করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হয়। সংসদে প্রস্তাব পাশ হলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাগবে। রাষ্ট্রপতি আইন সংশোধনের প্রস্তাবে সায় দিলে তবেই রাজ্যের আইনসভায় বিধান পরিষদ তৈরি হবে।

বিধান পরিষদের কাজ কী?
বিধান পরিষদের কাজ অনেকটা রাজ্যসভার মতোই। অর্থবিল ছাড়া রাজ্য বিধানসভায় পেশ হওয়া সব বিল এখানে পাশ করাতে হয়। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেয়। তবে বিধান পরিষদ কোনও সরকার গঠন বা ভেঙে দেওয়ায় ভূমিকা নিতে পারে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.