Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
West Bengal

কে হবেন বিরোধী দলনেতা? ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বসছে বিজেপি

সোমবার সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২১, ০৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২১, ০৯:৫৬

options
link
কে হবেন বিরোধী দলনেতা? ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বসছে বিজেপি zoom

স্টাফ রিপোর্টার: দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি (BJP)। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।

বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডারা। সেই মতো সোমবার সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।

Advertisement

এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব।

[আরও পড়ুন: কোকেন কাণ্ড: পামেলার ব্যাগে মাদক রাখার অভিযোগে এবার গ্রেপ্তার রাকেশ ঘনিষ্ঠ অমৃত]

তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন। মনোজ টিগ্গা সংঘ ঘনিষ্ঠ এবং দলের পুরনো কর্মী। যদিও অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীই সব চেয়ে এগিয়ে। এছাড়া, বিজেপির জয়ী বিধায়কদের মধ্যে বিরোধী দলনেতা হওয়ার ক্ষেত্রে নতুনদের মধ্যে শুভেন্দুই এগিয়ে। আর দলের আদি নেতৃত্ব হিসাবে মনোজ টিগ্গার নাম রয়েছে।

শনিবার রাতে দিল্লিতে জে পি নাড্ডার বাড়িতে একটি বৈঠকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সংগঠন সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সেখানেও বিরোধী দলনেতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে বিরোধী দলনেতার নাম। এখন দেখার দলে আসা নতুনদের মধ্যে পাল্লা ভারী থাকা শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতার পদে বসেন কি না? না কি দলের পুরনো বা সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ কাউকে সেই পদে বসানো হবে। তবে এখনও পর্যন্ত খবর বিরোধী দলনেতার লড়াইয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারীই।

[আরও পড়ুন: অর্থদপ্তরে সেই অমিত মিত্রই, মমতার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় দেখা যাবে একাধিক নতুন মুখ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.