সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাতসকালে ব্যস্ত সময়ে উল্টোডাঙা সেতু সংলগ্ন একটি পাইপে ঝুলে রইল এক ব্যক্তির দেহ। কোন থানার অন্তর্ভুক্ত ওই এলাকা, তা নিয়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা টানাপোড়েন চলল তিন থানার মধ্যে। অবশেষে উল্টোডাঙা থানার পুলিশ উদ্ধার করে দেহটি। তবে কোন থানার তরফে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে, তা নিয়ে জারি দ্বন্দ্ব। এদিনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
[আরও পড়ুন:‘তৃণমূলের সন্ত্রাস রুখতে দিল্লি পর্যন্ত মিছিল হবে’, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে মন্তব্য ভারতীর]
উল্টোডাঙা সেতুর পাশে রয়েছে উল্টোডাঙা খাল। তার পাশেই রয়েছে একটি পাইপ। বুধবার সকাল ৭ টা নাগাদ ওই পাইপ থেকে একটি দেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি তাঁরাই খবর দেয় উল্টোডাঙা থানায়। কিন্তু ওই এলাকা কোন থানার আওতাভুক্ত? উল্টোডাঙা, লেকটাউন নাকি মানিকতলা। তা নিয়ে শুরু হয় জটিলতা। অভিযোগ, ঘটনাস্থলে যাওয়া সত্ত্বেও দেহ উদ্ধারের ব্যবস্থা করেনি কোনও থানা। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ভিড় বাড়তে থাকে এলাকায়। প্রায় ৫ ঘণ্টা পাইপের উপর ঝোলে দেহটি। দীর্ঘক্ষণ পর অবশেষে উল্টোডাঙা থানার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে। কিন্তু কোন থানার তরফে ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে দেহটি, তা নিয়ে এখনও চলছে টানাপোড়েন।
সূত্রের খবর, রাজু হালদার নামে মৃত ওই যুবক বাসন্তী কলোনির বাসিন্দা। বেশ কিছুদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ চলছিল। সে কারণেই আত্মহত্যা করেছেন ওই ব্যক্তি, এমনটাই মনে করছেন সকলে। জানা গিয়েছে, মৃতের স্ত্রীকে গোটা ঘটনাটি জানানো হলেও আসতে অস্বীকার করেছেন তিনি। কিন্তু তিন থানার টানাপোড়েনের জেরে সাত সকালে উল্টোডাঙার মতো ব্যস্ততম এলাকায় ঝুলে রইল দেহ। সকলের সামনে এলাকা নিয়ে চলল পুলিশদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। আর এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। এই প্রথম নয়, এর আগেও কোন থানার এলাকা তা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
[আরও পড়ুন:টিএমসিপি সদস্যদের ঢুকতে বাধা, রণক্ষেত্র মাজদিয়ার সুধীরঞ্জন লাহিড়ী কলেজ]
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার