BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে’, অনুব্রতর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে সাফাই অনুপমের

Published by: Tanujit Das |    Posted: April 30, 2019 2:00 pm|    Updated: April 30, 2019 2:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘‘মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে৷ সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলাম৷ পরিকল্পিতভাবে ফাঁসান হচ্ছে৷’’ অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাতে জল ঢালতে এভাবেই সাফাই গাইলেন যাদবপুরে বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা৷ বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি যে তৃণমূলে যাচ্ছেন না, তাও জানালেন প্রাক্তন এই সাংসদ৷ জানালেন, “সমঝোতা করার হলে আগেই করতে পারতাম।”

[আরও পড়ুন: সামাজিক বিদ্রূপ উপেক্ষা করে লড়াইয়ে মহিলা ক্যাব চালক, সুদিনের অপেক্ষায়]

ভোট-পর্ব চলাকালীন সোমবার বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের পার্টি অফিসে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অনুপম হাজরা৷ ‘কেষ্ট কাকা’র পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি৷ পার্টি অফিসে পাত পেড়ে খান, ভাত-ডাল-মাছ ও প্রিয় আলু পোস্ত৷ সংবাদমাধ্যমের সামনেই অনুপমকে আবারও দলে যোগদান করানোর প্রতিশ্রুতি দেন অনুব্রত মণ্ডল৷ জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে৷ এরপরই রাজনৈতিক মহলে চড়তে থাকে বিতর্কের পারদ৷ যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থীর দলত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়৷ সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে সেই জল্পনা৷ অস্বস্তি বাড়ে গেরুয়া শিবিরের৷ সমস্ত জল্পনায় জল ঢালতেই মঙ্গলবার তড়িঘড়ি অনুপম হাজরাকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুকুল রায়রা৷ সেখানেই স্পষ্ট ভাষায় অনুপম জানান, কয়েকদিন আগে অনুব্রত মণ্ডলের মা, যাঁকে তিনি খুব ভালবাসতেন, তিনি মারা গিয়েছেন৷ তখন তিনি যেতে পারেননি৷ তাই সোমবার সমবেদনা জানাতে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি৷ এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক অভিসন্ধি নেই৷ তাঁকে নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তা সংবাদমাধ্যমের তৈরি বলে দাবি করেন তিনি৷ জানান, পরিকল্পিতভাবেই সংবাদমাধ্যমকে আগে থেকে সেখানে ডেকেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল৷

[আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে চাকরির টোপ দিয়ে চার লাখ নিয়ে উধাও ‘রুমমেট’! ]

বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি জানান, ‘‘বীরভূমের শেষ কথা অনুব্রত মণ্ডল৷ আমি চার বছর আগেই বুঝে গিয়েছিলাম ওনার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়৷ সেই কারণেই ওনার সঙ্গে আমার মতবিরোধ৷ এবং ওনার জন্যই দলত্যাগ৷ তাই সমঝোতা করার হলে, আমি আগেই করতাম৷’’ যে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির সঙ্গে, তাঁর ‘সাপে-নেউলে’ সম্পর্ক ছিল, তাঁর বাড়িতে খাবার খাওয়ার বিষয়টিকে এদিন গুরুত্ব দিতে চাননি যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী৷ তাঁর সাফাই, ‘‘ওটা কালী ঠাকুরের ভোগ ছিল৷’’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement