৪ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo ফিরে দেখা ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ঘরে-বাইরে চাপের মুখে দিলীপ ঘোষ। তবে তা সত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় বিজেপি রাজ্য সভাপতি। CAA বিরোধিতার নামে অশান্তি ছড়ালে তাঁদের গুলি করে মারার মন্তব্যে এককাট্টা দিলীপ। ভেবেচিন্তেই গুলি চালানোর নিদান দিয়েছেন বলেই দাবি তাঁর।

নদিয়ার রানাঘাটের সভা থেকে CAA বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই রাজ্যে একটাও গুলি চলেনি, লাঠি চলেনি, এফআইআর হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। কিন্তু কেন করেনি? কারও বাপের সম্পত্তি নাকি? মানুষের করের টাকায় রেল-বাস, রেললাইন, রাস্তা করা হয়। সেসব নষ্ট করে দিয়েছে। অসম, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটকে এই শয়তানদের আমাদের সরকার গুলি করে মেরেছে কুকুরের মতো। তুলে নিয়ে গিয়ে কেস দিয়েছে। ওরা এখানে আসবে, খাবে, আর এখানকার সম্পত্তি নষ্ট করবে? জমিদারি পেয়েছে নাকি? লাঠিও মারব, গুলিও করব, জেলেও পাঠাবো। আর তাই করেছে আমাদের সরকার।’ এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই রানাঘাটে এক তৃণমূল কর্মী এফআইআর করেছেন। হাবড়া থানাতেও তাঁর বিরুদ্ধে আরেকটি এফআইআর করা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন থানায় DYFI-ও এফআইআর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি, দলের অন্দরেও চাপে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য’ করেছেন বলেই গত সোমবার তাঁকে টুইটে তোপ দাগেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়

[আরও পড়ুন: CAA’র সমর্থনে প্রচারে গিয়ে নিজের কেন্দ্রেই বিক্ষোভের মুখে বিজেপি সাংসদ, কাঠগড়ায় তৃণমূল]

তবে তা সত্ত্বেও নিজের অবস্থান থেকে পিছপা হতে নারাজ বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকেও একইভাবে গুলি চালানোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। যাঁরা তাঁর এই নিদানের সমালোচনা করেছেন তাঁদের কড়া ভাষায় কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,”যাঁরা নাম করতে চাইছে তাঁরাই আমার মন্তব্যের বিরোধিতা করছেন। নাম ছড়াতেই আমার নামে এফআইআর।” বিরোধীরা তাঁর মন্তব্যের বিরোধিতা যেমন করেছেন, তেমনই তাঁর দলের নেতা বাবুলও সমালোচনায় সরব। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সবাই সব ব্যাপারে একমত হবে এটা তো কেউ বন্ড লিখে দেয়নি। পার্টির আমি সভাপতি। সংগঠনের কি কেউ বিরোধিতা করেছে? সবার নার্ভ সমান নয়। সবাই সইতে পারে না। দলে গণতন্ত্র আছে তাই সবাই সব কিছু বলতে পারে। আগেও আমায় বলেছে।” রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো চলছে, তবে কি বিরোধীদের পাশাপাশি বাবুলকেও কটাক্ষ করে দলীয় অন্তর্কলহকেই প্রকাশ্যে টেনে আনলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি? যদিও এ বিষয়ে এখনও বাবুলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং