৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ন গঙ্গোপাধ্যায়: ‘‘বাবুল সুপ্রিয়র গায়ে যারা হাত তুলেছে, তাদের হাত কীভাবে ভাঙতে হয়, তা জানি৷’’ যাদবপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পালটা হুঁশিয়ারির রাস্তায় হাঁটলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ চাঁচাছোলা ভাষায় জানালেন, ‘‘পাকিস্তানে যেমন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, তেমনিই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে কমিউনিস্টদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেব। আমরা চুপ রয়েছি বলে যদি কেউ ভাবে এটাকে আমাদের দুর্বলতা, তাহলে সেটা তাদের ভুল৷ ওরা যে ভাষা বোঝে সেই ভাষাতেই, উত্তর দেওয়া হবে৷’’

[ আরও পড়ুন: বাবুল সুপ্রিয় ইস্যুতে নবান্ন-রাজভবন সংঘাত তুঙ্গে, পার্থর অভিযোগের পালটা জবাব]

যাদবপুর কাণ্ডের প্রতিবাদ শুক্রবার বিকেলে রাজ্য বিজেপি দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপ ঘোষ৷ এবং এই সম্মেলনের প্রথম থেকেই বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি৷ তিনি বলেন, ‘‘যে বাবুলের চুল ধরে টেনেছে, তার ঠিকুজি-কুষ্ঠি বের করেছি। আগে ওদের দেশবিরোধী বলতাম, এবার ওদের সমাজবিরোধী বলব৷ ৬ ঘণ্টা ধরে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে আটকে রাখা হল৷ তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হল৷ নিগ্রহ করা হল৷ এরপরেও কিছু মানুষ এদের সমর্থনে কথা বলছে৷ কোনও শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানষ এই কাজকে সমর্থন করতে পারে না৷’’

[ আরও পড়ুন: আতঙ্ক অব্যাহত, নতুন করে বউবাজারের ৫টি বাড়িতে ফাটল ]

যাদবপুর কাণ্ডে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে শুক্রবার সকালেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ ইতিমধ্যে যার পালটা দিয়েছে রাজভবন৷ পাশাপাশি, সাংবাদিকদের সামনে শিক্ষামন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন দিলীপ ঘোষও৷ শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘আচার্য হিসাবে রাজ্যপাল ক্যাম্পাসে যেতেই পারেন৷ এরজন্য তাঁর কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই৷ শিক্ষামন্ত্রীর আমলে রাজ্যের স্কুলগুলির পরিবেশ নষ্ট হয়েছে৷ কলেজের পড়াশোনা লাটে উঠেছে৷’’ বধুবারের ঘটনার জন্য একইসঙ্গে দিলীপ বাবু কাঠগড়ায় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী ও যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকেও৷ তিনি জানান, বাবুলের উপর নিগ্রহ হোক সেটা মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছিলেন৷ উপাচার্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিগ্রহ রুখতে ব্যর্থ৷ তাঁর ইস্তফা দেওয়া উচিত৷

একই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফা চেয়েছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও৷ পাশাপাশি, যে ছাত্রটিকে বাবুল সুপ্রিয়র মাথার চুল টানতে দেখা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি৷ যাদবপুর কাণ্ডে শুক্রবারই রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল করেছে বিজেপি৷ গান্ধী মুর্তির পাদদেশের বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ(এবিভিপি)৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং