সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Corona Virus) আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তেই শহর থেকে জেলা সব জায়গাতেই সংক্রমিতদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে দেখা গিয়েছে পাড়া প্রতিবেশী থেকে আত্মীয় স্বজনদের। যার ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছে রোগীদের। এসবের মাঝেই অন্যছবি দেখা গেল খাস কলকাতায়। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় বাড়িতে বসেই করোনাকে পরাস্ত করলেন ইএম বাইপাসের বাসিন্দা দীপঙ্কর দাশগুপ্ত।
জানা গিয়েছে, ইএম বাইপাসের একটি অভিজাত আবাসনের বাসিন্দা দীপঙ্কর দাশগুপ্ত নামে ওই ব্যক্তি। ২৬ মে গলব্লাডারে স্টোন অপারেশনের জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা করা হয় তাঁর। রিপোর্টে জানা যায় তিনি আক্রান্ত। কিন্তু কোনও উপসর্গই ছিল না তাঁর। এরপরই হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, সেখানে করোনা রোগীর জন্য কোনও ব্যবস্থা নেই, তাই অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে দীপঙ্করবাবুকে। তখনই দীপঙ্করবাবুর স্ত্রী ঠিক করেন যে, স্বামীকে বাড়িতেই রাখবেন। সঙ্গে সঙ্গে গোটা বিষয়টি আবাসনে জানিয়ে অনুমতি চান তিনি।
[আরও পড়ুন:লকডাউনে বন্ধ উপার্জন, অভাবে ড্রাইভারের কাজ করতে চাইছেন সংগীতশিল্পী]
আবাসন কমিটি এক কথায় রাজি হয়ে যায়। এরপর বাড়িতে বসেই করোনার সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যান দীপঙ্করবাবু। যথাসাধ্য সহযোগিতা করেন প্রতিবেশীরা। প্রয়োজন মতো বাড়িতে পৌঁছে দেন সবজি-মুদিখানা থেকে ওষুধ। এভাবে ১৪ দিন পেরনোর পর ফের নমুনা পরীক্ষা হয় ওই পরিবারের চার সদস্যের। সকলেরই রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন প্রত্যেকে। তবে শুধু প্রতিবেশীরাই নন, পুরসভার তরফেও যথেষ্ট সহযোগিতা করা হয়েছে ওই পরিবারের সদস্যদের। নিয়মিত খোঁজ নিয়েছে গড়ফা থানা ও স্বাস্য দপ্তরের আধিকারিকরা।
[আরও পড়ুন:‘এত লাশ কোথা থেকে এল, ধাপাতে পোড়ানো হয়নি কেন?’, শ্মশান কাণ্ড নিয়ে তদন্ত চান দিলীপ]
সর্বশেষ খবর
-
মাছ থেকে মার্কস! রেজ্জাকের শিষ্য কীভাবে হয়ে ওঠেন মমতার আস্থাভাজন? শওকতের উত্থান যেন চিত্রনাট্য
-
ইন্টারনেট টিভি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ট্রাই-এর, প্রতিবাদে সরব ওটিটি সংস্থাগুলি
-
ইউসুফের কাছে মমতার ‘ইস্তফা’ বার্তা পৌঁছে দেন? সৌরভ বলছেন, ‘ভুয়ো খবর’
-
পেট্রোলের বিকল্প এবার E85, বাতিল হবে পুরনো গাড়ি? কী বলছে কেন্দ্র
-
২৬/১১ হামলায় কুড়ি জন অন্তঃসত্ত্বার প্রাণরক্ষা, ‘বীরাঙ্গনা’ নার্স অঞ্জলির ভূমিকায় কঙ্গনা