Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Laxmi Bhandar

পুজোর আগে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা হাতে পাচ্ছেন না এই জেলার মহিলারা

নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২১, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২১, ১৫:৫১

options
link
পুজোর আগে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা হাতে পাচ্ছেন না এই জেলার মহিলারা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজো কাটতে না কাটতেই ফের ভোটের বাদ্যি বাজবে বঙ্গে। আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের চার কেন্দ্র – কোচবিহার, শান্তিপুর, গোসাবা, খড়দহে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটগণনা ২ নভেম্বর। ফলে এই মুহূর্তে এই চার কেন্দ্রে জারি রয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। তাই সরকারি প্রকল্পগুলি আপাতত থমকে এই চার এলাকায়। আটকে গিয়েছে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর (Laxmi Bhandar)টাকাও। পুজোর আগে এই কেন্দ্রগুলির বাসিন্দা গৃহবধূরা সরকারি প্রকল্পের এই টাকা হাতে পাচ্ছেন না। শনিবার নবান্নে (Nabanna) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্বাচনী আচরণবিধি জারি থাকায় দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, কোচবিহারের মহিলারা একেবারে নভেম্বরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অর্থ পাবেন।

সেপ্টেম্বরে শেষেই সুখবর মিলেছিল। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র অর্থ পাওয়ার জন্য যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের জন্য প্রথম পর্যায়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে রাজ্যের জেলাশাসকদের সেই বরাদ্দ পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে ২ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পুজোর আগে আগেই সেই টাকা পাঠানোর কাজও শুরু করে দিয়েছিল নবান্ন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফিরল ‘রঘু ডাকাত’দের দিন! ফোনে হুমকি দিয়েই পুলিশকর্মীর ৫০ হাজার টাকা হাতাল দুষ্কৃতীরা]

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে এসসি, এসটি এবং ওবিসি মহিলারা পাবেন এক হাজার টাকা করে এবং সাধারণ মহিলাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে পাঁচশো টাকা। পুজোর আগেই যাতে রাজ্যের মহিলারা এই আর্থিক সাহায্য পেয়ে যান, তার জন্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আবেদনপত্র জমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছিলেন সরকারি কর্মীরা। জমা পড়া আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে যাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে, তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সাহায্য পৌঁছে যাবে। বাকিরাও একইভাবে দফায় দফায় টাকা পাবেন।

[আরও পড়ুন: মাঝরাতে দফায় দফায় পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনা, ভোরে ঘেরাওমুক্ত আর জি করের অধ্যক্ষ]

তবে এই সরবরাহে বাধ সাধছে উপনির্বাচন।  শান্তিপুর, দিনহাটা, খড়দহ, গোসাবা – এই চার কেন্দ্রে অক্টোবর শেষেই ফের ভোট। যার জেরে আপাতত আটকে যাচ্ছে সরকারি প্রকল্পের ভাতাপ্রাপ্তি। তবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নভেম্বর মাসে অর্থাৎ এই চার কেন্দ্রে ভোটের ফলাফল বেরনোর পরই টাকা পৌঁছে যাবে, একসঙ্গে দু’মাসের। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.