অর্ণব আইচ: একের পর এক বিস্ফোরক দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। নিজের ঘাড় থেকে দোষ ঝাড়তে কার্যত সরকার, সচিবদের উপর দায় চাপিয়েছেন তিনি। এমনকী, পুরনো সহকর্মীদেরও ‘শত্রু’ বলতেও রেয়াত করলেন না তিনি। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, “আমি জানি আমার শত্রু রয়েছে। অনেক শত্রুই আমার সঙ্গে কাজ করেছে।” স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এহেন মন্তব্য ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে দলের সতীর্থদেরই এবার কি শত্রু বলে দাগিয়ে দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব?
সোমবার শিক্ষা দফতরের গ্রুপ সি-র নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তিপ্রসাদ সিংহ, নীলাদ্রি দাস, অশোককুমার সাহাকে আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। তাঁদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন জানান। জামিনের বিরোধিতা করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।
[আরও পড়ুন: পড়াতে হবে বাংলা! ফি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্যই, বেসরকারি স্কুল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার]
এদিন আদালতে প্রভাবশালী তত্ত্ব তুলে ধরেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দাবি করেন, তিনি ২০২১ সালের আগেই শিল্পদপ্তরে বদলি হয়ে যান। দলে পাঁচটি পদ অলংকৃত করতেন। তিনি এখন সব হারিয়েছেন। কিছুই অবশিষ্ট নেই। শুধু তাঁর নামে দোষ দেওয়া হয়েছে। তিনি নির্দোষ। শেষে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, “একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর কী করেছেন, তার জন্য তিনি দায়ি নন।”
[আরও পড়ুন: ‘বুদ্ধবাবু হাসপাতালে ভুগছেন, আমি জেলে’, জামিন চেয়ে আদালতে সওয়াল পার্থর]
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার