BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

হোমিওপ্যাথিতেও কমতে পারে ডায়াবেটিস-অ্যাজমা-থাইরয়েড

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 28, 2017 1:52 pm|    Updated: February 28, 2017 1:53 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবেটিস-অ্যাজমা-থাইরয়েড, এই তিন রোগের জ্বালায় অতিষ্ঠ অনেকেই। হাসপাতাল-ওষুধের দোকান-নামজাদা চিকিৎসকদের কাছে দৌড়াদৌড়ি করেও লাভ হয়নি। কিন্তু শুরু থেকেই হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে পুরোপুরি সারতে পারে এই তিনটি রোগ। জানালেন হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ ডাঃ শতরূপা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মতে, খুব সহজেই ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাজমার মতো দূরারোগ্য ব্যাধি নির্মূল করে দেয় হোমিওপ্যাথি৷ অধিকাংশ রোগী অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসায় কাজ না হলে তারা হোমিওপ্যাথির দ্বারস্থ হন৷ ততদিনে কিন্তু অসুখ বেড়ে যায় অনেকটা৷ এই ভুল করবেন না৷ শুরু থেকেই হোমিওপ্যাথি ওষুধ নিয়মিত খেলে রোগ সারে দ্রুত৷

ডায়াবেটিস: ইনসুলিন হরমোন সঠিকমাত্রায় নির্গত না হলে অথবা শরীরের কোষগুলি এই হরমোনকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারলে ব্লাড সুগার বেড়ে যায়৷ যা থেকে পরবর্তী সময়ে ডায়াবেটিস হতে পারে। মোট চার ধরনের ডায়াবেটিস হতে পারে। টাইপ ওয়ান, টাইপ টু, গ্যাস্টোটাইনাল, ডায়াবেটিস ইনসেপিডাস।

অব্যর্থ ওষুধ: Sixygium.jamool, Acetic Acid, Thuja, Plumbum, Phosphoric Acid প্রভৃতি ওষুধ ডায়বেটিসে খুব কাজে লাগে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খাওয়া উচিত।

থাইরয়েড: থাইরয়েড গ্রন্থির যেকোন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা অব্যর্থ। থাইরয়েড হরমোনের কম ক্ষরণে হয় হাইপো থাইরয়েড। বেশি ক্ষরণে হাইপার থাইরয়েড। এই দুই ক্ষেত্রেই থাইরয়েড গ্রন্থি বৃদ্ধি পেতে পারে। একে গয়টার বলে। থাইরয়েড গ্রন্থিতে টিউমার হলে বা কোনও লক্ষণ ছাড়াই রক্ত পরীক্ষায় থাইরয়েড হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা ধরা পড়লে হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসা খুবই উপকারী।

অব্যর্থ ওষুধ:

হাইপো থাইরয়েডিজমের কিছু ওষুধ- Calcarea carb, Scpia, Lycopodium, Graphities, Nux.Vomica

হাইপার থাইরয়েডিজমের কিছু ওষুধ: Calcarea Phos, Iodium, Thyroidinum, Spongia, Calcarea.iod

অ্যাজমা: শ্বাসনালীতে বিভিন্ন্ রাসায়নিক পদার্থের বাধার কারণেই হয় ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা৷ আর হৃৎপিণ্ডের ত্রুটির কারণে হয় কার্ডিয়াক অ্যাজমা৷ ক্ষতিকর গ্যাস, ধোঁয়া, বায়ুদূষণ, ঘনঘন সর্দিকাশি, ঠান্ডা হাওয়া, আবেগজনিত কারণেও অ্যাজমায় আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকে৷ শ্বাসকষ্ট, কাশি, শ্বাস নেওয়ার সময় সাঁইসাঁই শব্দ সঙ্গে কফ অ্যাজমার লক্ষণ৷ হোমিওপ্যাথিতে এই রোগের খুব ভাল চিকিৎসা হয়৷ লক্ষণ অনুযায়ী ভিন্ন ওষুধ৷

কোন কোন ওষুধ খাওয়া যাবে:
হোমিওপ্যাথিতে এই রোগের খুব ভাল চিকিৎসা হয়৷ লক্ষণ অনুযায়ী রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ওষুধ৷যেমন- Antim tart, Arsenic alb, Bryonia, Aralia ইত্যাদি।

এছাড়া অ্যাজমায় কষ্ট কমাতে কিছু কিছু পথও অবলম্বন করা যেতে পারে।

যেমন–

  • ধূমপান করা চলবে না৷ পরোক্ষ ধূমপানেও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে৷
  • অ্যাজমা থাকলে ধুলো, ধোঁয়া প্রভৃতি থেকে দূরে থাকুন৷
  • বাড়িতে কোনও পোষ্য থাকলে তার থেকে কোনওরকম অ্যালার্জি হচ্ছে কিনা নজর রাখুন৷
  • বাচ্চার সর্দিকাশি হলে ফেলে রাখবেন না৷ অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন৷ শীতের শুরু ও শেষে বেশি সাবধান থাকুন৷

তবে নিজে নিজে কখনই চিকিৎসা করতে যাবেন না৷ প্রতিটি ওষুধ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই নেবেন৷ ইচ্ছেমত ওষুধ খেলে মারাত্মক বিপদ হতে পারে৷

যোগাযোগ: ৯৮৮৩১৮১৫৪২

আরও পড়তে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে৷                

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement