BREAKING NEWS

১১ কার্তিক  ১৪২৭  বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

এইসব সবজিতেই সারবে অ্যালঝাইমার্স-পার্কিনসন্স, বলছে গবেষণা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: January 3, 2019 5:20 pm|    Updated: January 3, 2019 7:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন, ডিজিটাল ডেস্ক: ভিটামিন এ, অর্থাৎ প্রতিদিনের সবজিতেই লুকিয়ে স্মৃতি হারানোর ওষুধ। অ্যালঝাইমার্স, পার্কিনসন্সের মতো রোগ কাবু করতে পারবে না। সম্প্রতি লন্ডনের একদল চিকিৎসা বিজ্ঞানীর গবেষণায় উঠে এল এমনই ইঙ্গিত। সুপারচার্জড ভিটামিন এ দিয়েই একটি ওষুধ তৈরির প্রাথমিক কাজ সেরে ফেলেছেন তাঁরা। যা নাকি নিত্যদিনের গাজর, ছোট বাঁধাকপির মতো সবজি থেকেই তৈরি হতে পারে।

স্কটল্যান্ডে সদ্য প্রকাশিত গবেষণাপত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ভিটামিন এ মানবশরীরে প্রবেশ করার পর তা ভেঙে রেটিনোয়িক অ্যাসিড হয়। এই অ্যাসিড শরীরে স্নায়ুতন্ত্র বিকাশের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ রেটিনোয়িক অ্যাসিড স্নায়ুর যে কোনও সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারে অনায়াসে। অ্যাবারডান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ গবেষক পিটার ম্যাকফ্রের কথায়,‘রেটিনোয়িক অ্যাসিড দিয়েই এক নতুন ধরনের ওষুধ তৈরির চেষ্টা করছি, যা অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। এই কাজ এখনও প্রাথমিক স্তরে, তবে আমাদের নিশ্চিত বিশ্বাস, যে কোনও স্নায়ুরোগের সমস্যায় ইতিবাচক হয়ে উঠবে এই গবেষণা। ভিটামিন এ দিয়ে এধরনের ওষুধ তৈরির ভাবনা এই প্রথম, তা নয়। তবে কাজটা একটু কঠিন বলেই জানাচ্ছেন গবেষকরা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, রেটিনোয়িক ওষুধ তৈরি হলে, শুধুই স্নায়ু সমস্যার নিরাময় হবে, তা নয়। পেশি এবং শ্বাসযন্ত্রের কোনও জটিলতাকেও দূর করা যাবে সহজে।

                                               [বিজ্ঞানের আশীর্বাদ, দুর্ঘটনা-প্যারালাইসিসের পরও সচল হবে অকেজো হাত]

শরীরে স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা থেকেই আসে স্মৃতি হারানোর মতো জটিল অসুখ। মাঝবয়স থেকে জাঁকিয়ে বসে পার্কিনসন্স, অ্যালঝাইমার্সের মতো প্রায় আরোগ্যহীন রোগ। স্মৃতিভ্রংশ হওয়ায় অনেকের কাছেই বেঁচে থাকাটাই বিষাদময় হয়ে ওঠে। ‘স্মৃতি সততই সুখের’, এই কথাই হয়ে দাঁড়ায় অর্থহীন। সেসব মানুষজনের জন্য স্কটল্যান্ডের চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা আশার আলো দেখাচ্ছে। গবেষকদের পরামর্শ, নিয়মিত গাজর, বাঁধাকপির মতো সবজি খেলে, অনেক সহজেই রুখে দেওয়া যাবে এধরনের জটিল রোগ। স্মৃতি থাকবে তরতাজা, জীবন হয়ে উঠবে নীরোগ, আনন্দময়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement