BREAKING NEWS

১১ কার্তিক  ১৪২৭  বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

এবার অনলাইনেই মিলবে শেষকৃত্যের সরঞ্জাম

Published by: Sulaya Singha |    Posted: December 3, 2018 4:55 pm|    Updated: December 3, 2018 4:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফেল কড়ি মাখো তেল। হ্যাঁ, টাকা থাকলে এখন যা চাইবেন, তাই চলে আসবে আপনার হাতে। তাও আবার বাড়ি বসেই। সৌজন্যে একগুচ্ছ ই-কমার্স সাইট। জামাকাপড়, গয়নাগাটি তো বটেই অনলাইনে কেনা যায় ঘুঁটেও। সেই সাইটগুলির দৌলতেই এবার বাড়ি বসে কিনে ফেলা যাবে শেষকৃত্যের যাবতীয় সরঞ্জাম।

[অযোধ্যায় মন্দির হবেই, ভুল করে এমনটাই দেখাল ‘Google Map’]

পরিবারের কোনও সদস্যের প্রয়াণে এমনিই মুষড়ে পড়েন অন্যান্যরা। মন খারাপের পরিবেশের মধ্যেও শেষকৃত্যের জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে হয় সকলকে। তালিকার একটা জিনিস বাদ গেলেই ফের ছুটে যেতে হয় বাজারে। অনেক পরিবারে আবার লোকবলও কম থাকে। সেক্ষেত্রে সব সরঞ্জাম জোগাড় করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে। তবে এবার আর সেসব চিন্তা করতে হবে না। দড়ি থেকে কাঠ, কঞ্চি থেকে ঘি, এবার সবকিছুই হাজির হয়ে যাবে এক ক্লিকে। হিন্দু ধর্মের আচারে সাধারণত যে সমস্ত জিনিস লাগে, তা মাথায় রেখেই ‘শেষকৃত্যের প্যাকেট’ বিক্রি করছে বিভিন্ন অনলাইন কোম্পানি। সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক ব্যক্তি অনলাইনে শেষকৃত্যের প্যাকেট অর্ডার করেছিলেন। নির্দিষ্ট সময়ে তাঁর বাড়িতে এসে পৌঁছায় প্যাকেট। যাতে ৩৮ রকমের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ছিল। মাটির পাত্র থেকে ধূপকাঠি, গো-মূত্র থেকে চাল, গোলাপ জল সবই ছিল সেই প্যাকেটে। অসময়ে এই পরিষেবায় দারুণ সুবিধা হয় তাঁর।

[আগামী মাসেই ভারতীয় বাজারে আসছে Nokia 7.1, দাম জানেন?]

SarvaPooja নামের মুম্বইয়ের একটি কোম্পানি থেকে শেষকৃত্যের প্যাকেটটি কিনেছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই সংস্থার মালিক জানান, এই পরিষেবা চালু হওয়ার পর থেকে এক বছরের মধ্যে দুহাজারেরও বেশি প্যাকেট বিক্রি হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা থেকে তিনদিনের মধ্যেই সরঞ্জাম পৌঁছে যায় ক্রেতার বাড়িতে। এই সংস্থার পাশাপাশি অন্যান্য ই-কমার্স সাইটগুলির এই নয়া পরিষেবায় খুশি শহুরে মানসিকতার মানুষরা। তাঁদের মতে, পরিবারের দুর্দিনে আশীর্বাদের মতোই কাজ করবে অনলাইন সংস্থাগুলি। কিন্তু উলটো ছবি ব্যবসায়ীক মহলে। যাঁরা শেষকৃত্যের সরঞ্জাম বিক্রি করেন, সেই সব খুচরো ব্যবসায়ীদের রীতিমতো মাথায় হাত। অনলাইন পরিষেবা যে ব্যবসায় অনেকটাই ক্ষতি করবে, এমনই আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement