BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

সন্তান নাক ডাকছে! তাহলে কিন্তু ঘোর বিপদ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 18, 2017 4:22 pm|    Updated: July 11, 2018 2:33 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাক ডাকার অভ্যাস কম-বেশি অনেকেরই থাকে। এমনকী মাঝেমধ্যে সেটা শিশুদের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। কয়েকদিন ধরেই হয়তো দেখছেন রাতের দিকে আপনার সন্তানের নাক ডাকছে। প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে অন্তত চারদিন কি এই ব্যাপারটি খেয়াল করেছেন? তাহলে অবিলম্বে সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কারণ চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের এই নাক ডাকার অভ্যাসটি কিন্তু মারাত্মক। গভীর কোনও অসুখের ইঙ্গিতও হতে পারে তা। তাই সেক্ষেত্রে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নানারকম চিন্তা, উদ্বেগ কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাসের অসুবিধা হলেই নাক ডাকার রোগ হতে পারে। যা পরবর্তীকালে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

[টিপু সুলতান মসজিদেই আক্রান্ত বরকতি]

ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডেভিড ম্যাকলেনটসের মতে, শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যা আমাদের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে সমস্ত রাসায়নিক পদার্থ সঠিক অনুপাতে আছে কি না, সেটা দেখেই মস্তিষ্ক বিচার করে নেয়, শ্বাস-প্রশ্বাস কতটা সঠিকভাবে হচ্ছে। যখনই মস্তিষ্ক বুঝতে পারবে শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিকমতো নেওয়া হচ্ছে না, তখনই সে শ্বাস নেওয়ার জন্য জোর দেবে এবং এই কারণেই অনেক সময় ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার প্রবণতা দেখা যায়। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, যে সমস্ত শিশুর নাক ডাকার প্রবণতা রয়েছে তারা সবাই যে অসুস্থ তা নাও হতে পারে।

[জানেন, কেন এই ক্রিকেটারের নাম ওয়াশিংটন সুন্দর?]

কখন কখন মস্তিষ্ক শ্বাস-প্রশ্বাসে বেশি জোর দেয়? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঠিকমতো অক্সিজেন এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড চলাচল করতে না পারলেই মস্তিষ্কের নির্দেশে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায়। আর তখনই নাক ডাকার প্রবণতা দেখা যায়।’ এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, ‘এছাড়াও ঠিকমতো শ্বাস-প্রশ্বাস না হলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়, আর তার ফলে নানারকম অসুবিধাও দেখা দিতে পারে। আর মস্তিষ্ক সেটা কখনই হতে দিতে চায় না। কারণ তার কাজ রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখা।’

[হজ না শিক্ষা কোথায় প্রয়োজন ভর্তুকি? জনতার থেকে জানতে চাইল কেন্দ্র]

গত ৬ বছরে প্রায় ১০০০ জন শিশুকে পর্যবেক্ষণ করেছেন ম্যাকলেনটস। এদের কারোর ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যেস, কারোর আবার স্লিপ অ্যাপ্নিয়া রয়েছে।  কম গুরুত্ব পাওয়া, বিভিন্ন সামাজিক অসুবিধা-উদ্বেগ, ভুলে যাওয়া কিংবা কোনও কিছু ঠিকভাবে বুঝতে না পারা-এই সব সমস্যায় যারা ভোগে, তাদেরই নাক ডাকে। সমীক্ষায় এমনই অদ্ভুত পর্যূেক্ষণ তাঁর। আর তাই তাঁর মত, নাক ডাকাকে অবহেলা করার কোনও কারণ নেই। যদি কোথাও কোনও গণ্ডগোল থাকে তবে আগেভাগেই পদক্ষেপ করা দরকার। নয়তো তা পরবর্তীকালে আরও বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

[বিগ বি নন, ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সঞ্চালক এবার ঐশ্বর্য!]

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement