Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬

সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর বদলে ফেলুন প্যাড

সংক্রমণ থেকে দূরে থাকুন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:২১

options
link
সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর বদলে ফেলুন প্যাড zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পিরিয়ড মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার জরুরি অংশ। তাই পিরিয়ড চলাকালীন পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য। এই বিধি নিয়ম শুধু সুস্থ থাকার জন্য, এমন ভাববেন না। ঋতুকালীন সময়ে আপনি যতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন তত সংক্রমণের মতো জটিল সমস্যা আপনার থেকে দূরে যাবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে গেলে প্রথমেই আসে প্যাড বদলের প্রসঙ্গ। পিরিয়ড চলাকালীন সময়মতো প্যাড বদলাচ্ছেন তো? এই কাজে গড়িমসি করলে যোনি সংক্রমণ থেকে শুরু করে মূত্রনালিতে সংক্রমণ, ব়্যাশের মতো সমস্যায় ভুগতে পারেন। তাই প্রথম থেকেই সচেতন হোন। কীভাবে পিরিয়ড চলাকালীন নিজেকে সুস্থ রাখবেন, রইল তার হালহকিকত।

[আপনার সন্তান কি যৌন হেনস্তার শিকার হচ্ছে, বুঝবেন কীভাবে?]

অন্তত চার ঘণ্টা অন্তর স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলে ফেলুন। তিন ঘণ্টা অন্তর বদল প্রক্রিয়া চললে আরও ভাল হয়। তবে চার ঘণ্টার বেশি একদম নয়। সাধারণত রক্ত প্রবাহের উপরে নির্ভর করে প্যাড বদলের সময়সীমা। এই প্রবাহ এক একজনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। প্রবাহমাত্রা বেশি থাকলে অস্বস্তি এড়াতে আগেভাগেই প্যাড বদলে নিন। তবে প্রবাহমাত্রা কম থাকলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই প্যাড ব্যবহার করবেন না। এতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। পিরিয়ডের রক্ত শরীরের জন্য অপকারী। তাই বেরিয়ে আসা রক্তের সঙ্গে জীবাণুও থাকে। যতক্ষণ তা আপনার শরীরে সঙ্গে লেগে থাকবে ততক্ষণ বাইরের আবহাওয়ার সঙ্গে মিশে সংক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এর জেরে শরীরে সংশ্লিষ্ট অংশে ব়্যাশ বেরতে পারে। সংক্রমণের কারণে নানারকম উপসর্গ আসতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যত নামীদামি সংস্থার স্যানিটারি ন্যাপকিন হোক না কেন, সময় থাকতে বদলে ফেলুন। তুলোর পট্টির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলা উচিত। অনেকে প্রবাহ মাত্রা বেশি থাকলে একই সঙ্গে পট্টি ও প্যাড ব্যবহার করেন। সাধারণত পথে ঘাটে অস্বস্তি এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এতে সাময়িক অস্বস্তি এড়ানো গেলেও বিপদ কিন্তু ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলে। দুটো প্যাড বা পট্টি ও প্যাড একসঙ্গে থাকার দরুন লিকেজের সমস্যা হয় না। তবে দীর্ঘক্ষণ সেই প্যাড আপনার শরীরের সঙ্গেই থাকছে। তাই সংক্রমণের সম্ভাবনাও বাড়ছে তরতরিয়ে। বেশিক্ষণ ভেজা প্যাডের সংস্পর্শে থাকলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই সময় বাথরুম ব্যবহারের আগে ভালো করে দেখে নিন। পিরিয়ডের সময় প্যাড বদলের আগে ও পড়ে ভাল কোনও হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। এরপরও হাতে কোনওরকম ব়্যাশ দেখলেই জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

[আপনার সঙ্গীর ভালবাসা খাঁটি তো? বলে দেবে রাশিফল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.