মায়ের দুধ যেন অমৃতসমান। তা ছাড়া একটি শিশুর সম্পূর্ণরূপে বৃদ্ধি অসম্ভব। তবে বাচ্চা স্তন্যদুগ্ধ পান ছেড়ে দিলে তা কেবলই অতীত। শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় মায়ের শরীরে দুধ উৎপাদন আর হয় না। কিন্তু এই মাতৃদুগ্ধকেই যদি স্মৃতি হিসাবে সবসময় কাছে রেখে দেওয়া যেত, তবে মন্দ হত না। ভাবছেন কীভাবে সম্ভব তাই তো? গয়নার আকারে বছরের পর বছর ধরে মাতৃদুগ্ধ সংরক্ষণ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’র (Breast Milk Jewellery ) খুঁটিনাটি।

আরও পড়ুন:
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, কী এই ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’? নাম শুনলে অনেকেরই মনে হতে পারে মাতৃদুগ্ধ দিয়ে তৈরি গয়নাকে ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’ বলে। তবে তা মোটেও নয়। কোনও একটি গয়নার মধ্যে মাতৃদুগ্ধকে সংরক্ষণই হল ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’। হতে পারে তা কোনও হারের লকেট, ব্রেসলেট কিংবা আংটি। গত ২০১৯ সাল থেকে এই ধরনের গয়নার বিকিকিনি শুরু হয়। গয়না প্রস্তুতকারক অ্যাডম রিয়াধ ও সাফিয়া এই ধরনের গয়না প্রথম তৈরি করেন। প্রথম যেদিন এই ব্যবসা শুরু করেন তখন যে তা জনপ্রিয়তা পাবেন ভাবেননি। ক্রমে তা জনপ্রিয়তা পায়। তবে যতদিন যাচ্ছে ততই জনপ্রিয়তা বাড়ছে এই ধরনের গয়নার।

সাফিয়া হলেন তিন সন্তানের মা। তিনি জানান, মায়ের দুধ সন্তানের সঙ্গে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কথা মনে করায়। তাই স্মারক হিসাবে তা রেখে দিতে চান অনেকেই। সন্তানধারণ থেকে সন্তান বড় হয়ে ওঠার মাঝে স্তন্যদানের সময়টি স্মৃতিতে ধরে রাখতে সাধারণত ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’ তৈরি করান অনেকে। এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে তৈরি হয় ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’? মাতৃদুগ্ধের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি পাথরের মতো শক্ত বস্তু তৈরি করা হয়। তা দিয়েই তৈরি হয় ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’। যিনি ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’ কিনছেন, তাঁকে গয়না নির্মাতার কাছে এক চামচ মাতৃদুগ্ধ পৌঁছে দিতে হয়। ওই নির্মাতা রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’ তৈরি করেন। এই ধরনের গয়না নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই ধরনের গয়না সাধারণত বছরের পর বছর ভালো থাকতে পারে। তাই ‘ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি’ যে একজন খুদের জন্য অত্যন্ত ভালো উপহার হতে পারে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। খরচও খুবই সামান্য। তাই নতুন মায়েরা খুদেকে উপহার দিতে এই ধরনের গয়না কিনতেই পারেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মারাত্মক অভিযোগ! পেপসি, কোক থেকে নেসলের মতো ব্র্যান্ডকে ১৫০ নোটিস খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার
-
মেট্রোয় চাকরি পেল বিড়াল! স্টেশন চত্বরে দিনরাত নজরদারি চালিয়ে এখন ‘বস’ চারপেয়ে
-
Durand Final Derby LIVE: ডুরান্ড ফাইনালে উন্মাদনা তুঙ্গে, ঘোষিত দুই প্রধানের প্রথম একাদশ
-
রোগীদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সুবিধাতেও মোটা অঙ্কের বিল! জেলার নার্সিংহোমগুলিতে নজর স্বাস্থ্যভবনের
-
নামী রেস্তরাঁয় পরিবেশন পচা চিকেন তন্দুরি, কামড় দিতেই গুলিয়ে উঠল গা! হুলুস্থুল দুর্গাপুরে