Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Beauty Tips

অফিসে দিনভর ঠান্ডা ঘরে কাজ, ত্বক-চুলের ব্যাপক ক্ষতি! রুখবেন কীভাবে?

টানা ৮-১০ ঘন্টা সেন্ট্রাল এসির কবলে পড়ে আপনার শরীরের বারোটা বাজছে না তো? এই কৃত্রিম ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় কীসে তা জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
অফিসে দিনভর ঠান্ডা ঘরে কাজ, ত্বক-চুলের ব্যাপক ক্ষতি! রুখবেন কীভাবে? zoom
তবে কি চাকরি ছেড়ে দেবেন?
Advertisement

ট্রাম-বাসের ভিড়। রোদে-ঘামে প্যাচপ্যাচে শরীর। অবশেষে ঘেমেনেয়ে অফিসে ঢুকেই শান্তি। কয়েক মিনিটেই শরীর জুড়োয়। এভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা এসির নিচে থাকতে কার না ভালো লাগে? এই গরমে অফিসটাই যেন স্বর্গ মনে হয়! খানিকক্ষণ থাকলেই শরীর ও মনে প্রশান্তি। কিন্তু প্রশ্ন টানা ৮-১০ ঘন্টা সেন্ট্রাল এসির কবলে পড়ে আপনার শরীরের বারোটা বাজছে না তো? এই কৃত্রিম ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় কীসে তা জানেন?

AC Office Effects: How Air Conditioning Damages Skin & Hair and Ways to Prevent It
ছবি: সংগৃহীত

কী প্রভাব পড়ে ত্বকে?
অফিসের সেন্ট্রাল এসি বাতাসের আর্দ্রতা শুষে নেওয়ার এক বিশাল ‘ড্রায়ার’ হিসেবে কাজ করে। বাড়ির এসির তুলনায় অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি শুষ্ক। এখানে জানলা খোলার উপায় নেই। ফলে একই বাতাস বারবার পরিশ্রুত হয়ে ফিরে আসে। একেই বলে ‘রিসাইক্লিং’। এর প্রভাবে ত্বকের কোষে পুষ্টি পৌঁছতে দেরি হয়। টান ধরে ঠোঁটে। দেখা দেয় অকাল বলিরেখা। ত্বকের কোলাজেন ও ইলাস্টিন প্রোটিন নষ্ট হওয়ায় চামড়া কুঁচকে যায় খুব দ্রুত।

Advertisement

Beauty Tips: Protect Your Skin and Hair with These Easy Tips

চুলেই বা প্রভাব কী?
চুলের অবস্থাও তথৈবচ। এসি শুধু বাতাস নয়, চুলের কিউটিকল থেকেও জলীয় বাষ্প টেনে নেয়। ফলে চুল তার স্বাভাবিক জৌলুস হারিয়ে শুকনো হয়ে যায়। জট পড়া, ডগা ফাটা বা চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। বিশেষ করে যাঁদের এগজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো চর্মরোগ আছে, এসির হাওয়ায় তাঁদের ভোগান্তি কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।

Side Effects of Office AC: Why Your Skin and Hair Are Getting Damaged
ছবি: সংগৃহীত

তবে কি চাকরি ছেড়ে দেবেন?
একেবারেই নয়। কিছু ছোটখাটো অভ্যেস বদলে নিলেই রুখে দেওয়া যায় এই ক্ষতি। প্রথমত, জলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল খেলে শরীরের ভেতর থেকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে। অফিসের ডেস্কে রাখুন একটি ফেস মিস্ট স্প্রে। মাঝে মাঝেই মুখে স্প্রে করে নিন। এতে ত্বক সজীব থাকবে। কাজের ফাঁকে অন্তত দু’বার ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার মাখতে ভুলবেন না।

চুল বাঁচাতে অফিসের যাওয়ার আগে সিরাম ব্যবহার করুন। খোলা চুলে এসি ঘরে না থাকাই ভালো। হালকা করে চুল বেঁধে রাখুন বা স্কার্ফ ব্যবহার করতে পারেন। যদি সুযোগ থাকে, নিজের ডেস্কে একটি ছোট হিউমিডিফায়ার রাখতে পারেন। এটি আপনার চারপাশের বাতাসকে শুষ্ক হতে দেবে না। এছাড়া স্ন্যাক প্ল্যান্ট বা মানিপ্ল্যান্টের মতো ইনডোর গাছ হাতের কাছে রাখলে প্রাকৃতিকভাবেই আর্দ্রতা বজায় রাখা সম্ভব।

টানা বসে না থেকে মাঝে মাঝে অফিসের বাইরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৫-১০ মিনিট ঘুরে আসুন। আর বাড়ি ফিরে গরম জলে স্নান সেরে ভালো করে ত্বকে মাসাজ করুন। রাতে শোওয়ার আগে চুলে নারকেল তেলের মালিশ হারিয়ে যাওয়া জৌলুস ফিরিয়ে আনতে দারুণ কাজ দেবে। অফিসের স্বস্তির মাঝে এইটুকু সতর্কতা বজায় রাখলেই বজায় থাকবে আপনার চিরসবুজ রূপ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.