Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
পিয়ার্সিং

কান বেঁধানোর পিছনে রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত কারণ!

লিঙ্গের কথা মাথায় রেখে কান বেঁধানো জরুরি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০১৯, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০১৯, ১২:০৬

options
link
কান বেঁধানোর পিছনে রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত কারণ! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  মেয়েদের কান বেঁধানো ভারতে একটা রেওয়াজ। কন্যা সন্তান জন্মানো মাত্রই তাকে একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর কান বেঁধাতে হয়। অনেকে মনে করেন, এটি ভারতীয় সংস্কৃতি৷ অনেকের আবার ধারণা সুন্দর দেখানোর জন্যই মহিলাদের এই কান বেঁধানোর প্রথা। কিন্তু জানেন কি, এর পিছনে রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত কারণ?

প্রজনন সংক্রান্ত
আয়ুর্বেদ অনুসারে কানের লতি একটি উল্লেখযোগ্য জায়গা। এখানে সূঁচের সাহায্যে ফুটো করলে প্রজনন ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভাল প্রভাব ফেলে। মহিলাদের ঋতুস্রাবও ঠিকমতো হয় বলেও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মস্তিস্ক ভাল থাকে
ছোটবেলায় কান বেঁধালে নাকি মস্তিকের বিকাশ ভাল হয়। কানের বাম ও ডান লতির সঙ্গে মস্তিস্কের দু’পাশের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অংশের যোগ থাকে। কান ফুটো করলে মস্তিস্কের সেই অংশগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে। মস্তিস্কের বিকাশ ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি উপকারী।

শক্তি সঞ্চয়
বলা হয় যখন মানুষ কানে দুল পরে, তখন শক্তি সারা দেহে সঞ্চারিত হয়। নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এটি শুভ লক্ষ্মণ।

দৃষ্টিশক্তি
কানের লতির ঠিক মাঝখানের সঙ্গে চোখের যোগাযোগ থাকে। তাই এই অংশে চাপ পড়লে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

[ আরও পড়ুন: ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১০ মিনিটে দূর করুন ট্যান, রইল টিপস ]

কান ভাল রাখে
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যেখানে কান বেঁধানো হয় সেখানে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রেসার পয়েন্ট আছে। একটি প্রধান সংবেদনশীল পয়েন্ট, অন্যটি প্রধান সেরিব্রাল পয়েন্ট। শিশুদের শোনার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা অবলম্বন করে এই প্রেসার পয়েন্টগুলি। ভোঁ ভোঁ শব্দ শোনা থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে কান বেঁধানো।

ভয় ও স্নায়বিক দুর্বলতা থেকে মুক্তি
মস্তিস্কের সঠিক বিকাশের পাশাপাশি এটি হিস্টিরিয়ার মতো রোগ দূরে রাখতেও সাহায্য করে। যেহেতু জায়গাটি প্রধান সেরিব্রালের সঙ্গে যুক্ত, সেই কারণেই ভয় ও স্নায়বিক দুর্বলতা কান বেঁধানোর ফলে দূরে থাকে। দাবি করা হয়, কান বেঁধানো আকুপ্রেসারের কাজ করে।

হজম ক্ষমতা বাড়ায়
কানের লতির যে অংশে পিয়ার্সিং করা হয় সেটি হজম ক্ষমতার সঙ্গেও জড়িত। কান বেঁধালে হজম ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই মেদও নাকি কমে।

বীর্য উৎপাদন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছেলেদের ক্ষেত্রে কান বেঁধালে নাকি বীর্য বাড়ে। কারণ না জানলেও, অনেক জায়গায় ছেলেদের কান বেঁধাতে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে রয়েছে এই বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা৷ 

[ আরও পড়ুন: টাইট জিনস নয়, মেকআপ হোক ন্যাচরাল- গরমে সাজগোজের টিপস দিলেন বিশেষজ্ঞরা ]

লিঙ্গের কথা মাথায় রেখে কান বেঁধানো জরুরি
মেয়েদের আগে বাম কান বেঁধানোর নিয়ম আছে। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে ডান কান বেঁধানো হয়। এটি অনেকে প্রাচীন নিয়ম বলে মানলেও এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। কারণ লিঙ্গ বিশেষে কানের লতির এই জায়গার প্রেসার পয়েন্ট আলাদা হয়।

কান বেঁধানোর সময়
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, মাসের ১০, ১২ বা ১৬ দিনে বা ৬ষ্ঠ, ৭ম বা ৮ম মাসে কান বেঁধাতে হয়। এছাড়া কোনও শিশু জন্মানোর পর বিজোড় সংখ্যার বছরে কান বেঁধাতে হয়। যেমন প্রথম বা তৃতীয় বছরে। দ্বিতীয় বছরে কান বেঁধানো উচিত নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.