৫ মাঘ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ভোজনরসিক বাঙালির জন্য সুখবর, করোনা কালে বেনফিশের অ্যাপেই অর্ডার করুন মনপসন্দ মাছ

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: November 25, 2020 3:15 pm|    Updated: November 25, 2020 3:18 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা কালে (Coronavirus) খাদ্য রসিক বাঙালি মন চাইলেই সব সময় হাতের নাগালে পাচ্ছে না বাহারি খাবার, বিশেষত মাছ। তাই স্বাভাবিকভাবেই মুখ ভার সকলেরই। তবে সমস্যা এবার সমাধানের পথে। কারণ, পদ্মার ইলিশ, উত্তরবঙ্গের বোরলি, অথবা অজয় কিংবা লালগোলার আড়। কাঁচা হোক, বা রান্না করা। মাছে-ভাতে বাঙালির স্বপ্নের এমন বিবিধ মেছো আইটেম বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করল রাজ্যের মৎস্যদপ্তর। মাধ্যম অ্যাপ।

মঙ্গলবার মৎস্য ভবনে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ। তাঁর বক্তব্য, করোনা কালে অনেকেই, বিশেষত বয়স্করা বাজারহাটে যেতে পারছেন না। এদিকে মাছ ছাড়া বাঙালির চলে না। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অনুপ্রেরণায় গুণগত মান বজায় রেখে আমগেরস্তের দরজায় সুলভে মাছ পৌঁছে দিতে এই বন্দোবস্ত। ঘটনা হল, অতিমারীর দরুণ বেনফিশের আউটলেট ও ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলিতে বিক্রিবাটা মার খাচ্ছে। মানুষ পথেঘাটে কম বেরোচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি হেঁশেলে ও ডাইনিং টেবিলে ঢুকে পড়তে চাইছে মৎস্য দপ্তর। মন্ত্রী জানালেন, অ্যাপে অর্ডার দিলেই মাছের রকমারি পদ বাড়িতে পৌঁছে যাবে। কীভাবে সেই পদ রান্না হয়েছে, তা-ও দেখা যাবে অ্যাপে। কাঁচা মাছ অর্ডার করলে তা কীভাবে কাটা হচ্ছে, প্যাকেট-বন্দি হচ্ছে, তার গোটা পর্ব চাক্ষুষ করা যাবে। সংশয়ের কোনও অবকাশ থাকবে না।

Fisheries Department take a new initiative for people

[আরও পড়ুন: ‘সিপিএম, বিজেপি লোভী আর ভোগী, তৃণমূল ত্যাগী’, বাঁকুড়া থেকে বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ মমতার]

এছাড়া ইকোপার্ক, নলবন, প্রিয়া সিনেমা, পার্ক সার্কাস লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের সামনে বা গড়িয়াহাট মোড়ের মতো শহরের পঁচিশ জায়গায় বেনফিশের নতুন আউটলেট খোলা হচ্ছে বলে জানালেন সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা মৎস্য দপ্তরের যুগ্মসচিব বিধান রায়। আউটলেটের জায়গার জন্য কলকাতা পুরসভার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ছয়ফুট বাই বারো ফুটের স্টলগুলিতে কাঁচা মাছও মিলবে। পুরনো স্টলগুলি চলবে আগের মতো। উপরি হিসেবে আসছে নয়া অ্যাপ। বিধানবাবুর পর্যবেক্ষণ, করোনা কালে মানুষ অনলাইনে কেনাকাটায় অনেকটা সড়গড় হয়েছে। তাই এই অ্যাপ দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার আশা। তাঁর দাবি, মৎস্যব্যঞ্জন এমনভাবে প্যাকেটজাত করা হবে, যাতে দীর্ঘক্ষণ তাজা থাকে, মুচমুচে থাকবে। বেনফিশের অধীনে অনেকগুলি মৎস্য সমবায় আছে। এদের থেকে মূলত মাছ কেনা হবে। বেনফিশ নিয়ন্ত্রিত ফ্রেজারগঞ্জ, কাকদ্বীপ, সুলতানগঞ্জ বন্দর থেকেও মাছ আসবে। বেনফিশ ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে সুন্দরবনের মাছ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বাড়িতে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় যৎসামান্য। সেই ঘাটতি মেটাতে এবার কলকাতা জুড়ে অ্যাপনির্ভর বিপণন পরিকল্পনা। পরবর্তীকালে গোটা বাংলা এবং বাংলার বাইরেও এই উদ্যোগকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্ত্রীর কথায়, “করোনার সময় আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকিনি। অ্যাপের মাধ্যমে মাছের হোম ডেলিভারি শুরু করেছি। আরও উন্নততর পরিষেবার লক্ষ্যে আমরা ‘এস বি অ্যাগ্রি ইন্ডাস্ট্রি’-র সঙ্গে চুক্তি করেছি। আশা করছি বেনফিশ রিভেলরি’ নামের এই যৌথ প্রয়াস সফল হবে।” এদিনের মউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ছিলেন এসবি অ্যাগ্রির কর্ণধার অসীম ভট্টাচার্য।

[আরও পড়ুন: ‘শাড়ি পরা হিটলারি শাসন বরদাস্ত করা হবে না’, নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির কটাক্ষ সায়ন্তনের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement