Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Food

মোমো থেকে নিহারি, শীতের শহরে পেটপুজোর রকমারি সম্ভার, রইল রেস্তরাঁর হদিশ

এই মরশুমে এসব চেখে না দেখলেই মিস!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০০:১৫

options
link
মোমো থেকে নিহারি, শীতের শহরে পেটপুজোর রকমারি সম্ভার, রইল রেস্তরাঁর হদিশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সারাবছর খাওয়াদাওয়ায় যতই মেপেজুপে করুন না কেন, উৎসবের মরশুমে তা লাগামছাড়া হবেই। তা আবার খানিকটা নির্ভর করে ঋতুর উপর। যদি বাতাসে হিমেল হাওয়া আর চারপাশে মনোরম পরিবেশ থাকে, তবে তো কথাই নেই। রোজকার ধরাবাঁধা রুটিন ভুলে ভরপুর পেটপুজোর আদর্শ সময়। এবছর বড়দিনের আগেই শীত বেশ জাঁকিয়ে পড়েছে শহর কলকাতায়। এমন সময় একটু উষ্ণতার খোঁজ করেন সবাই। খাবার পাতে তো বটেই। শীতের মধ্যে রাস্তায় বেরিয়ে গরমাগরম স্ট্রিট ফুড দেখলে না চেখে কি দূরে থাকা যায়? মোটেই না। সাধ ও সাধ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে শীতের কলকাতায় কোথায় কী খাবেন, তার খুঁটিনাটি রইল এই প্রতিবেদনে।

শীতকালে মন চায় একটু গরম স্যুপ, নরম মোমো। পাহাড়ি এই খাবারটি বহুদিন হলো সমতলের অন্যতম জনপ্রিয় আর সুস্বাদু পদের তকমা পেয়েছে। সারাবছরই মোমো পাওয়া যায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে। তবে কলকাতায় বসে পাহাড়ি মোমোর স্বাদ পেতে হলে আপনাকে যেতেই হবে ময়দানের সিকিম হাউজে। বাঁশঘেরা রেস্তরাঁর আলো-আঁধারিতে স্যুপ আর মোমো আপনাকে নিয়ে যাবে সিকিমে! এছাড়া দক্ষিণ কলকাতার এন্টালির রিনচেন মোমো ও ট্রায়াঙ্গুলার পার্কের লেপচাও বিখ্যাত। পকেট থেকে খসবে জন প্রতি মাত্র ১৬০ থেকে ২০০ টাকা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
মোমো-চাটনি-স্যুপ।

বছরভর রোল, চাউমিন তো খান। কিন্তু শীতের সন্ধ্যায় শহরে হাঁটতে বেরিয়ে এসব খাবারের খাঁটি স্বাদ পেতে চলে আসুন যাদবপুরের চায়না গ্রিন বা কলেজ স্ট্রিটের দিলখুশা কেবিন, গুঞ্জন চাইনিজ ফুড, শোভাবাজারের মিত্র কাফে অথবা পার্ক স্ট্রিটের বিখ্যাত হটকাটি রোলের দোকানে। মাথা পিছু খরচ পড়বে মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকা

রোল-চাউমিন

মোঘলাই খানা কাবাব নিশ্চয়ই পছন্দের? কিন্তু কোথায় গেলে উৎকৃষ্টতম কাবাবের স্বাদে মনপ্রাণ-পেট জুড়িয়ে যাবে, বুঝতে পারছেন না। চোখ বন্ধ করে আপনার গন্তব্য হোক জাকারিয়া স্ট্রিট। হরেক কাবাবের সম্ভার সেখানে। স্বাদে-গন্ধে আপনি মুগ্ধ হবেনই। খরচও এমন কিছু নয়, একজনের জন্য মাত্র ১০০ টাকা

সুস্বাদু কাবাব

কচুরি, সিঙাড়া মুখে রোচে না, এমন ভোজনরসিক প্রায় বিরল। সকাল-বিকেল জলখাবারে চারটি কচুরি, ভাঙা ভাঙা আলুর টানটান তরকারি… আহ! এমন ভালো খাবার আবার পৃথিবীতে আছে নাকি? আপনিও যদি এমনটাই মনে করেন, তবে শীতের সকালে রাস্তায় বেরিয়ে অবশ্যই চলে যান কলেজ স্ট্রিটের পুঁটিরাম কিংবা বউবাজারের ভীম নাগ অথবা হাতিবাগানের নকুড়ে। বাজি রেখে বলতে পারি, আপনার দিনটা শুরু হবে দারুণভাবে। খরচ আর কতই বা? খুব বেশি হলে মাথা পিছু ২৫ থেকে ৪৫ টাকা

কচুরি-তরকারি

ওহ! কনকনে শীতে শহর কলকাতার আসল সুস্বাদু খাবারটার কথাই তো বলা হল না। সেটা হল মটন নিহারি। দীর্ঘক্ষণ ধরে মাংস গলিয়ে তুলতুলে নরম করে তার উপর বাছাই করা মশলা দিয়ে ঝোল ঝোল একটা পদ। কলকাতার খাদ্য ইতিহাসে এ অতি পুরনো এক রেসিপি। আর নিহারির স্বাদ মনভরে উপভোগ করতে চাইলে আসতেই হবে চাঁদনি চকের সাবির কিংবা জাকারিয়া স্ট্রিটের সুফিয়া রেস্তরাঁয়। শহরের খুব প্রাচীন এসব রেস্তরাঁয় নিহারির রন্ধন প্রণালী একেবারে ভিন্ন। এখানে অবশ্য বাজেট একটু বেশি। মাথা পিছু ২০০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ হবে। তাতে কী? স্বাদের সঙ্গে কখনও সমঝোতা নয়!

পুরনো কলকাতার বিখ্যাত পদ নিহারি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.