BREAKING NEWS

২১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ৪ জুন ২০২০ 

Advertisement

রসগোল্লায় কাঁচালঙ্কার স্বাদ! মিষ্টি যজ্ঞে অবাক রানাঘাট

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 15, 2018 3:05 pm|    Updated: September 17, 2019 4:45 pm

An Images

বিপ্লব দত্ত, রানাঘাট: রসগোল্লায়  কাঁচালঙ্কার স্বাদ! না, অবাক হওয়ার কিছু নেই। কাঁচালঙ্কা ছাড়াও ধনেপাতা, তুলসীপাতা, কেশর, গাজর, আমের মতো হরেক রকম স্বাদ এবং নানা রঙের রসগোল্লা। এই মিষ্টান্নের সম্ভার নিয়ে দুদিন ধরে চলল রসগোল্লা উৎসব। যা দেখে এবং চেখে উৎসবে হাজির মানুষের চোখ যেমন ছানাবড়া, তেমনই শীতের সন্ধেয় রসগোল্লার স্বাদ পেতে উপচে পড়েছিল মানুষের ঢল।

[বাড়িতে ঢুকলেই কেন ফোন খারাপ? ৩০ বার মোবাইল পালটেও নাজেহাল এই ব্যক্তি]

RASOGOLLA UTSAV 2

নদিয়ার রানাঘাট পুরসভা প্রাঙ্গনে  প্রথম রসগোল্লা উৎসবের তাঁবু পড়েছিল। রবিবার অবধি  চলল দু’দিনের এই মিষ্টিযজ্ঞ। মোট ষোলটি স্টলে ছিল হলুদ, সবুজ, কমলার মতো হরেক রকম রসগোল্লার ডালি। ক্রেতারা সাজিয়ে বসেছিলেন পসরা। আয়োজক রানাঘাট পুরসভা। বাংলার রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর উচ্ছ্বাসে মেতেছিল রানাঘাট। সেই সময় রানাঘাট কোর্ট মোড়ের  কাছে গাড়ি দাঁড় করিয়ে মানুষকে মিষ্টিমুখ করানো হয়েছিল। স্থানীয় মানুষের দাবি ছিল, রানাঘাট পালচৌধুরী বাড়িতে একসময় হারাধন ময়রা প্রথম রসগোল্লা বানিয়েছিলেন। যাঁর বাড়ি ছিল ফুলিয়াতে। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর কয়েকদিন আগে ফুলিয়ায় সেই ময়রার স্মরণে বিশাল আকারের রসগোল্লা বানানো হয়েছিল। রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর রানাঘাটে রসগোল্লা উৎসবের ভাবনা মাথায় আসে। রানাঘাট  পুরসভার চেয়ারম্যান পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় জানান,  ‘রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই গর্বের। বিশেষ করে রানাঘাটবাসীর কাছে। সেই সময় রাজ্য সরকারের কাছে আমরা  তথ্য তুলে জানিয়ে এসেছিলাম যে, রানাঘাটেই প্রথম রসগোল্লা তৈরি হয়েছিল। তাই এই ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে এই রসগোল্লা উৎসবের আয়োজন। প্রথমবারেই ভালো সাড়া পড়েছে।আগামী বছরে আরও বড় করে আয়োজনের ভাবনা রয়েছে পুর প্রশাসকদের।’

[বিশ্বের ‘সবথেকে বড়’ রসগোল্লার আত্মপ্রকাশ, ফুলিয়ায় মিষ্টিযজ্ঞ]

রসগোল্লার আদি নিবাসের পাশাপাশি রানাঘাটের পান্তুয়ার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। এমন আয়োজনে রানাঘাটের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান তাদের স্টল দিয়েছিল। পান্তুয়ার শহরে রসগোল্লার উৎসব মনে ধরেছে মিষ্টিপ্রেমীদের। না একটু ভুল হল, যাঁরা ঝাল বা নোনতা চান তাদের মুখেও একই কথা। নানা রঙের সোয়েটার, চাদরে মুড়ে হাজির কচিকাঁচার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এই মিষ্টিযজ্ঞে ঠাঁই পেয়েছিল বেক রসগোল্লা,  সুগার-ফ্রি রসগোল্লা, টু-ইন রসগোল্লারাও। তবে পান্তুয়ার শহরে পান্তুয়ার ঠাঁই হবে না তা কী হয়? তাই ছিল পান্তুয়া ,গোলাপ জামুন ও একাধিক ভাজা মিষ্টি। মিষ্টি মানেই যে চিনি থাকবে এমন ধারণা অনেকটা পালটে দিল এই আয়োজন।

ছবি: সুজিত মণ্ডল

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement