Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Instagram

ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিগ্রহের বিজ্ঞাপন, টেলিগ্রামে বিক্রি! মেটাকে নোটিস কেন্দ্রের

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপত্তিকর বিজ্ঞাপনগুলো ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের ধাপ পার হওয়ার পরেই  প্রকাশিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আপত্তিকর ভিডিওগুলির বিষয়ে অবগত ছিল ইনস্টাগ্রাম তথা মেটা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৯:০৮

options
link
ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিগ্রহের বিজ্ঞাপন, টেলিগ্রামে বিক্রি! মেটাকে নোটিস কেন্দ্রের zoom
চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মেটার বিরুদ্ধে।
Advertisement

ইনস্টাগ্রামের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিগ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ। এই ঘটনায় জবাবদিহি চেয়ে তথ্যপ্রযুক্তি জায়েন্ট ‘মেটা’কে চিঠি পাঠাল কেন্দ্র। খোদ কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের নির্দেশ পাওয়ার পরেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইল।

বিবিসি আই-এর একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, ইনস্টাগ্রাম অর্থের বিনিময়ে ‘ধর্ষণের ভিডিও’ এবং ‘শিশু ভিডিও’-এর মতো শব্দযুক্ত বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে এই ধরনের অবৈধ ভিডিও বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। বিবিসি আই-এর প্রতিবেদনের প্রকাশ্যে আসার পরেই পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।

Advertisement

উল্লেখ্য, বিবিসির তদন্তে উঠে এসেছে যে ইনস্টাগ্রামে ‘রেপ ভিডিও’ ও ‘শিশু ভিডিও’-র বিজ্ঞাপন দেওয়া হত। এরপর টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে মাত্র ৯৯ টাকার বিনিময়ে ওই শিশু যৌন নিগ্রহের ভিডিও আগ্রহী গ্রাহকদের বিক্রি করা হত। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপত্তিকর বিজ্ঞাপনগুলো ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের ধাপ পার হওয়ার পরেই  প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ, আপত্তিকর ভিডিওগুলির বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত ছিল ইনস্টাগ্রাম তথা মেটা।

প্রসঙ্গত, এদিকে বিতর্কের মুখে হোয়াটসঅ্যাপের নয়া ‘ইউজারনেম’ ফিচার। নিশানায় দুই মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল। দুই সংস্থাকেই যে চিঠি পাঠানো হয়েছে তাতে ওই ফিচার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কীভাবে ওই ফিচার চালুর পরে জালিয়াতির মোকাবিলা করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বৈধ সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নামের মতো দেখতে ‘ইউজারনেম’ গ্রহণ করতে পারে।

কেন্দ্রের আশঙ্কা, নতুন এই ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে অনলাইনে জালিয়াতি বাড়তে পারে। গ্রাহকদের চ্যাটের গোপনীয়তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে। বাড়তে পারে অপরাধের সংখ্যা। এরপরই মেটাকে নোটিস পাঠায় মোদি সরকার। এবার একই নোটিস তারা পাঠাল আরও দুই অ্যাপ সংস্থাকে। তবে টেলিগ্রামে ইতিমধ্যেই ‘ইউজারনেম’ থাকলেও সিগন্যালের ক্ষেত্রেও এই সুবিধাটি ঐচ্ছিক। জানা যাচ্ছে, টেলিগ্রামের কাছে নোটিস পাঠিয়ে কেন্দ্রের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে এই ফিচারের অনুমতি কেন দেওয়া হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.